৯/২৩০. অধ্যায়ঃ
প্রত্যেক মাসে তিনটি করে রোযা রাখা মুস্তাহাব, প্রতি মাসে শুক্ল পক্ষের ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখে রোযা পালন করা উত্তম।। অন্য মতে ১২,১৩, ও ১৪ তারিখে। প্রথমোক্ত মতটিই প্রসিদ্ধ ও বিশুদ্ধ।
মাসে তিন রোজা ও বিতির: না ছাড়ার মতো নিয়মিত আমল
রিয়াদুস সালেহীন : ২/১২৬৭
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ২/১২৬৭
وَعَنْ أَبي الدَّردَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: أَوصَانِي حَبِيبِي صلى الله عليه وسلم بِثَلاَثٍ لَنْ أَدَعَهُنَّ مَا عِشْتُ: بِصِيَامِ ثَلاثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ، وَصَلاَةِ الضُّحَى، وَبِأَنْ لاَ أَنَامَ حَتَّى أُوْتِرَ . رواه مسلم
আবূ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ’আমার প্রিয় বন্ধু (ﷺ) আমাকে এমন তিনটি কাজের অসিয়ত করেছেন, যা আমি যতদিন বেঁচে থাকব, কখনোই ত্যাগ করব না; প্রতি মাসে তিনটি করে রোযা পালন করা, চাশতের নামায পড়া এবং বিতির না পড়ে নিদ্রা না যাওয়া।’ (মুসলিম) [১]
মুসলিম ৭২২, আবূ দাউদ ১৪৩৩, আহমাদ ২৬৯৩৫, ২৭০০৩
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ২/১২৬৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বর্ণনাকারী বলেন, তাঁর প্রিয় বন্ধু রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে তিনটি কাজের অসিয়ত করেছেন, যা তিনি যতদিন বেঁচে থাকবেন ত্যাগ করবেন না। এই তিনটি কাজ হলো প্রতি মাসে তিনটি রোজা রাখা, চাশতের নামায পড়া, এবং বিতির না পড়ে ঘুমাতে না যাওয়া। এখানে আগের হাদিসের মতো তিনটি আমল এসেছে, তবে এই বর্ণনায় আমলগুলো না ছাড়ার দৃঢ়তা বেশি স্পষ্ট। মাসে তিন রোজা একটি সহজ নফল রোজা, যা নিয়মিত রাখা যায়। একই সঙ্গে চাশত ও বিতিরের কথাও এসেছে। যারা মাসিক নফল রোজা, চাশত নামায, বিতির নামায, বা নিয়মিত সুন্নাহ আমল খোঁজ করেন, এই হাদিস তাদের জন্য উপকারী।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভালো আমল নিয়মিত রাখার মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রতি মাসে তিন রোজা রাখার প্রতি উৎসাহ পাওয়া যায়।
- চাশত নামায ও বিতির নামাযের গুরুত্ব একই বর্ণনায় এসেছে।
- ঘুমানোর আগে বিতির পড়ার বিষয়ে সতর্কতা শেখা যায়।
