৯/২২৯. অধ্যায়ঃ
সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা রাখার ফযীলত
সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা: নবীজির নিয়মিত আগ্রহ
রিয়াদুস সালেহীন : ৩/১২৬৫
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৩/১২৬৫
وَعَنْ عَائِشَة رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَت: كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَتَحَرَّى صَومَ الاِثْنَيْنِ وَالخَمِيس . رواه الترمذي، وقال: حديث حسن
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ’রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সোম ও বৃহস্পতিবারে রোযা রাখার জন্য সমধিক সচেষ্ট থাকতেন।’ (তিরমিযী হাসান) [১]
তিরমিযী ৭৪৫, নাসায়ী ২৩৬১-২৩৬৪, ইবনু মাজাহ ১৭৩৯
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/১২৬৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার জন্য সমধিক সচেষ্ট থাকতেন। এখানে খুব ছোট বাক্যে বড় শিক্ষা এসেছে। নবীজি (صلى الله عليه وسلم) শুধু একবার রোজা রাখতেন এমন নয়; তিনি এই দুই দিনের রোজার প্রতি বিশেষ নজর দিতেন। তাই সোমবার বৃহস্পতিবার রোজা একটি পরিচিত নফল রোজা হিসেবে মুসলিম জীবনে গুরুত্ব পায়। এই হাদিসে রোজার কারণ বিস্তারিত বলা হয়নি, কিন্তু নবীজির আগ্রহ পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। যারা সোম ও বৃহস্পতিবার রোজার ফজিলত, সোমবার বৃহস্পতিবার নফল রোজা, বা নবীজির রোজার অভ্যাস জানতে চান, তারা এই হাদিস থেকে সহজ দিকনির্দেশনা পান। এটি আমাদের শেখায়, ছোট কিন্তু নিয়মিত আমলও জীবনে জায়গা করে নিতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সোম ও বৃহস্পতিবার রোজার প্রতি যত্নবান ছিলেন।
- নফল রোজা নিয়মিত আমল হিসেবে গ্রহণ করা যায়।
- সুন্নাহভিত্তিক আমলকে জীবনে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও স্পষ্ট আমলের শিক্ষা পাওয়া যায়।
