৯/২২৭. অধ্যায়ঃ
আরাফা ও মুহাররম মাসের নবম ও দশম তারিখে রোযা রাখার ফযীলত
আশুরার রোজার ফজিলত: বিগত বছরের গুনাহ মোচনের আশা
রিয়াদুস সালেহীন : ৩/১২৬০
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৩/১২৬০
وَعَنْ أَبي قَتَادَةَ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم سُئِلَ عَنْ صِيامِ يَوْمِ عَاشُورَاءَ، فَقَالَ: «يُكَفِّرُ السَّنَةَ المَاضِيَةَ». رواه مسلم
আবূ কাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে আশুরার দিনে রোযা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তরে তিনি বললেন, “তা বিগত এক বছরের গুনাহ মোচন করে দেয়।” (মুসলিম)[১]
মুসলিম ১১৬২, আহমাদ ২২০২৪, ২২১১৫
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/১২৬০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আশুরার দিনের রোজার ফজিলত স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে আশুরার দিনে রোজা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তা বিগত এক বছরের গুনাহ মোচন করে। এই বক্তব্য হাদিসের সরাসরি শিক্ষা; তাই এটিকে আল্লাহর দয়া ও ক্ষমার আশার একটি বড় আমল হিসেবে বোঝা যায়। আশুরা মুহাররম মাসের দশম দিন, এবং আগের হাদিসে এসেছে রাসূল صلى الله عليه وسلم নিজে এই দিনে রোজা রেখেছেন ও আদেশ করেছেন। এখানে মূল বিষয় হলো, নফল রোজার মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর ক্ষমা লাভের পথে এগোতে পারে। তবে যেকোনো ইবাদতের মতো এটিও আন্তরিকতা, তাওবা এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসার সঙ্গে সুন্দর হয়। আশুরার রোজা, গুনাহ মোচন এবং মুহাররমের নফল রোজা—এই হাদিসের মূল বার্তা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আশুরার রোজার ফজিলত হাদিসে স্পষ্টভাবে এসেছে।
- এই রোজা বিগত এক বছরের গুনাহ মোচনের আশার আমল।
- নফল রোজা মানুষকে আল্লাহর ক্ষমার দিকে ফিরতে সাহায্য করে।
