৯/২২৭. অধ্যায়ঃ
আরাফা ও মুহাররম মাসের নবম ও দশম তারিখে রোযা রাখার ফযীলত
আরাফার দিনের রোজা: গুনাহ মোচনের আশার বিশেষ আমল
রিয়াদুস সলেহিন : ১/১২৫৮
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ১/১২৫৮
وَعَنْ أَبي قَتَادَةَ رضي الله عنه، قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم عَنْ صَومِ يَوْمِ عَرَفَةَ، قَالَ: «يُكَفِّرُ السَّنَةَ المَاضِيَةَ وَالبَاقِيَةَ» رواه مسلم
আবূ কাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে আরাফার দিনে রোযা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তরে তিনি বললেন, “তার পূর্বের এক বছর ও পরের এক বছরের গোনাহ মোচন করে দেয়।” (মুসলিম)[১]
মুসলিম ১১৬২
রিয়াদুস সলেহিন হাদিস ১/১২৫৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আরাফার দিনের রোজার মর্যাদা বর্ণিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে আরাফার দিনে রোজা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তা পূর্বের এক বছর ও পরের এক বছরের গুনাহ মোচন করে। এটি হাদিসের সরাসরি ভাষা, তাই এর বাইরে অতিরিক্ত শর্ত বা দাবি যোগ করা উচিত নয়। আরাফার দিন যুল হিজ্জার গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। যারা রোজা রাখতে সক্ষম, তাদের জন্য এই হাদিস বড় উৎসাহ। তবে রোজা রাখার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ক্ষমা লাভের আশা। এই বর্ণনা আমাদের নফল রোজার গুরুত্ব শেখায় এবং বিশেষ দিনে ভালো আমল করার আগ্রহ বাড়ায়। আরাফার রোজা, গুনাহ মোচন এবং নফল রোজার ফজিলত—এই হাদিসের মূল বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আরাফার দিনের রোজার বিশেষ মর্যাদা হাদিসে এসেছে।
- এই রোজা গুনাহ মোচনের আশার একটি বড় আমল।
- নফল রোজা আল্লাহর নৈকট্য লাভের পথে সাহায্য করে।
