৯/২২২. অধ্যায়ঃ
সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে দেরী না করে ইফতার করার ফযীলত, কোন খাদ্য দ্বারা ইফতার করবে ও তার পরের দো‘আ
শীঘ্র ইফতার করার সুন্নত: রোজাদারের কল্যাণের পথ
রিয়াদুস সালেহীন : ১/১২৪১
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/১২৪১
عَن سَهلِ بنِ سَعدٍ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «لاَ يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا عَجَّلُوا الفِطْرَ». متفقٌ عَلَيْهِ
সাহ্ল ইবনে সা'দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যতদিন পর্যন্ত মুসলিমেরা শীঘ্র ইফতার করবে ততদিন তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে।” (বুখারী ও মুসলিম) [১]
সহীহুল বুখারী ১৯৫৭, ১০৯৮, তিরমিযী ৬৯৯, ইবনু মাজাহ ১৬৯৭, আহমাদ ২২২৯৮, ২২৩২১, ২২৩৩৯, ২২৩৫২, ২২৩৬৩, মুওয়াত্তা মালিক ৬৩৮, দারেমী ১৬৯৯
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/১২৪১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم রোজাদারদের জন্য খুব সহজ একটি নির্দেশনা দিয়েছেন—ইফতারের সময় হলে দেরি না করা। মূল শিক্ষা হলো, সূর্যাস্তের পর ইফতার দ্রুত করা মুসলিমদের কল্যাণের সঙ্গে জড়িত। এখানে ‘শীঘ্র ইফতার’ মানে সময় হওয়ার আগেই ইফতার নয়; বরং ইফতারের সময় নিশ্চিত হলে অযথা অপেক্ষা না করা। রোজা ইসলামে ধৈর্য, আনুগত্য ও আল্লাহর হুকুম মানার শিক্ষা দেয়। তাই রোজা রাখার মতোই সঠিক সময়ে ইফতার করাও সুন্নতের অংশ। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, ইবাদতে বাড়াবাড়ি নয়, বরং রাসূল صلى الله عليه وسلم যেভাবে শিখিয়েছেন সেই সহজ পথই অনুসরণ করা উচিত। রমজানের ইফতার, রোজার আদব এবং শীঘ্র ইফতার করার ফজিলত—সবকিছু এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইফতারের সময় হলে অযথা দেরি না করা সুন্নতের শিক্ষা।
- কল্যাণের পথে থাকতে ইবাদতে রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর দেখানো পদ্ধতি মানা জরুরি।
- রোজায় বাড়াবাড়ি নয়; সময়মতো ইফতার করাই উত্তম পথ।
