৯/২২১. অধ্যায়ঃ
সেহরি খাওয়ার ফযীলত। যদি ফজর উদয়ের আশংকা না থাকে, তাহলে তা বিলম্ব করে খাওয়া উত্তম
সেহরি খাওয়া: মুসলিমদের রোযার আলাদা পরিচয়
রিয়াদুস সালেহীন : ৪/১২৪০
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৪/১২৪০
وَعَنْ عَمرِو بنِ العَاص رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «فَصْلُ مَا بَيْنَ صِيَامِنَا وصِيَامِ أَهْلِ الكِتَابِ، أَكْلَةُ السَّحَرِ». رواه مسلم
আম্র বিন আস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “আমাদের রোযা ও কিতাব-ধারীদের (ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানদের) রোযার মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে, সেহরি খাওয়া।” (মুসলিম) [১]
মুসলিম ১০৯৬, তিরমিযী ৭০৯, নাসায়ী ২১৬৬, আবূ দাউদ ২৩৪৩, আহমাদ ১৭৩০৮, ১৭৩৪৫, দারেমী ১৬৯৭
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৪/১২৪০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, আমাদের রোযা ও কিতাবধারীদের রোযার মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সেহরি খাওয়া। অর্থাৎ সেহরি শুধু শরীরের শক্তির জন্য নয়; এটি মুসলিমদের রোযার একটি আলাদা চিহ্নও। রমযানের সেহরি তাই অবহেলা করার মতো বিষয় নয়। এটি নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশিত আমল, রোযার প্রস্তুতি এবং উম্মতের আলাদা পরিচয়ের অংশ। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ছোট মনে হলেও কিছু আমল ইসলামী জীবনধারায় বিশেষ জায়গা রাখে। সেহরি খাওয়া সেই ধরনের একটি আমল। তাই রোযা রাখার আগে সেহরির সময়কে গুরুত্ব দেওয়া এবং তা নববী নির্দেশ হিসেবে পালন করা সুন্দর অভ্যাস। তাই সেহরির মাধ্যমে রোযা শুরু করা মুসলিম উম্মতের আলাদা আমলের প্রতি যত্নের প্রকাশ। ছোট আমল হলেও এটি রোযার পরিচয়কে স্পষ্ট করে তোলে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সেহরি মুসলিমদের রোযার আলাদা পরিচয়।
- হাদিসে আহলে কিতাবের রোযা থেকে পার্থক্য হিসেবে সেহরির কথা এসেছে।
- সেহরি শুধু খাবার নয়, নববী আমলের অংশ।
- রোযার প্রস্তুতিতে সেহরিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
