৯/২২১. অধ্যায়ঃ
সেহরি খাওয়ার ফযীলত। যদি ফজর উদয়ের আশংকা না থাকে, তাহলে তা বিলম্ব করে খাওয়া উত্তম
সেহরি খাওয়ার ফজিলত: সেহরিতে বরকত আছে
রিয়াদুস সালেহীন : ১/১২৩৭
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/১২৩৭
عَن أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم :«تَسَحَّرُوا ؛ فَإِنَّ فِي السُّحُورِ بَرَكَةً». متفقٌ عَلَيْهِ
আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “তোমরা সেহরি খাও। কেননা, সেহরিতে বরকত নিহিত আছে।” (বুখারী ও মুসলিম)[১]
সহীহুল বুখারী ১৯২৩, মুসলিম ১০৯৫, তিরমিযী ৭০৮, নাসায়ী ২১৪৬, ইবনু মাজাহ ১৬৯২, আহমাদ ১১৫৩৯, ১২৮৩৩, ১২৯৭৭, ১৩১৩৯, ১৩২১৩, ১৩৫৮১, দারেমী ১৬৯৬
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/১২৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সরাসরি বলেছেন, তোমরা সেহরি খাও; কেননা সেহরিতে বরকত আছে। রোযার আগে সেহরি খাওয়া তাই শুধু খাবারের বিষয় নয়, বরং নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ মানার বিষয়। সেহরি রোযাদারকে রোযার জন্য প্রস্তুত করে এবং আল্লাহর দেওয়া বরকতের আশা জাগায়। কেউ খুব বেশি খেতে না পারলেও সেহরির মূল্য কমে যায় না—মূল কথা হলো, এই আমলকে গুরুত্ব দেওয়া। হাদিসের ভাষা সহজ, শিক্ষা পরিষ্কার: রমযানের রাতের শেষ ভাগে সেহরি খাওয়া রোযার আদবের অংশ। তাই সেহরিকে অবহেলা না করে বরকতময় আমল হিসেবে দেখা উচিত। তাই সেহরি বাদ দেওয়া সহজ মনে হলেও হাদিসের আলোকে এটিকে বরকতের সময় হিসেবে নেওয়া ভালো। রোযার দিনের শক্তি ও মানসিক প্রস্তুতিতেও সেহরি সহায়ক হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সেহরি খাওয়ার সরাসরি নির্দেশ এসেছে।
- হাদিসে সেহরিতে বরকত থাকার কথা বলা হয়েছে।
- সেহরি রোযার প্রস্তুতির অংশ।
- রোযাদারের উচিত সেহরিকে অবহেলা না করা।
