৯/২১৯. অধ্যায়ঃ

অর্ধ শা’বানের পর রমযানের এক-দু’দিন আগে থেকে রোযা রাখা নিষেধ। তবে সেই ব্যক্তির জন্য অনুমতি রয়েছে যার রোযা পূর্বের রোযার সাথে মিলিত হয়ে অথবা সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা রাখতে অভ্যস্ত হয়ে ঐ দিনে পড়ে

সন্দেহের দিনে রোযা রাখা থেকে বিরত থাকার শিক্ষা

রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ৪/১২৩৫

وَعَنْ أَبي اليَقَظَانِ عَمَّارِ بن يَاسِرٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: مَنْ صَامَ اليَوْمَ الَّذِي يُشَكُّ فِيهِ، فَقَدْ عَصَى أَبَا القَاسِمِ صلى الله عليه وسلم . رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

আবূ ইয়াক্বাযান আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, ’যে ব্যক্তি সন্দেহের দিনে রোযা রাখল, সে অবশ্যই আবুল কাসেম (ﷺ)-এর নাফরমানী করল।’ (আবূ দাউদ, তিরমিযী, হাসান সহীহ)[১]

তিরমিযী ৬৮৬, নাসায়ী ২১৮৮, আবূ দাউদ ২৩৩৪, ইবনু মাজাহ ১৬৪৫, দারেমী ১৬৮২

রিয়াদুস সলেহিন হাদিস ৪/১২৩৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি সন্দেহের দিনে রোযা রাখল, সে আবুল কাসেম صلى الله عليه وسلم-এর নাফরমানী করল। সন্দেহের দিন বলতে এমন দিন বোঝানো হয়েছে, যখন রমযান শুরু হয়েছে কি না—তা নিশ্চিত নয়। হাদিসের ভাষা খুব শক্ত, তাই বিষয়টি হালকা করে দেখা যায় না। রোযা একটি মহান ইবাদত, কিন্তু সন্দেহের ভিত্তিতে রমযান ধরে নেওয়া বা নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। মুসলিমকে চাঁদ দেখা বা মাস পূর্ণ করার নির্ধারিত নিয়ম মানতে হবে। এই হাদিস ইবাদতে সতর্কতা, নিয়ম মানা এবং নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশকে অগ্রাধিকার দেওয়ার শিক্ষা দেয়। তাই সন্দেহ দূর না হলে রমযান ধরে নেওয়ার বদলে নববী নির্দেশ অনুযায়ী পরিষ্কার সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করা ভালো।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সন্দেহের দিনে রোযা রাখা থেকে সতর্ক করা হয়েছে।
  • রমযান শুরু হয়েছে কি না নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
  • ইবাদতে নিজের অনুমানকে শরয়ী নিয়মের আগে রাখা ঠিক নয়।
  • নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশ মানাই নিরাপদ পথ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন