৯/২০৫. অধ্যায়ঃ
বিতরের প্রতি উৎসাহ দান, তা সুন্নতে মুআক্কাদাহ এবং তা পড়ার সময়
সকাল হওয়ার আগে বিতির: ইবাদতে সময় সচেতনতার শিক্ষা
রিয়াদুস সলেহিন : ৬/১১৪৪
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ৬/১১৪৪
وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «بَادِرُوا الصُّبْحَ بِالوِتْرِ».رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: حديث حسن صحيح
ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, “ফজর হওয়ার আগে ভাগেই বিতির পড়ে নাও।” (আবূ দাউদ, তিরমিযী হাসান সহীহ)[১]
সহীহুল বুখারী ৯৯৫, ৪৭২, নাসায়ী , ৪৭৩, ৯৯১, ৯৯৩, ৯৯৮, ১১৩৭, মুসলিম ৭৪৯, ৭৫১, তিরমিযী ৪৩৭, ৪৬১, নাসায়ী ১৬৬৬, ১৬৬৭, ১৬৬৮, ১৬৬৯, ১৬৭০, ১৬৭১, ১৬৭২, ১৬৭৩, ১৬৭৪, ১৬৮২, ১৬৯২, ১৬৯৪, আবূ দাউদ ১৪২১, ১৪৩৮, ইবনু মাজাহ ১১৭৪, ১১৭৫, ১১৭৬, ১৩২২, আহমাদ ৪৪৭৮, ৪৫৪৫, ৪৬৯৬, ৪৭৭৬, ৪৮৩২, ৪৮৪৫, ৪৯৫১, ৫০১২, মুওয়াত্তা মালিক ২৬১, ২৬৯, ২৭৫, ২৭৬, দারেমী ১৪৫৮
রিয়াদুস সলেহিন হাদিস ৬/১১৪৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, ফজর হওয়ার আগে ভাগেই বিতির পড়ে নাও। বক্তব্যটি ১১৪২ নম্বর হাদিসের শিক্ষার সঙ্গে মিল রাখে, তবে এখানে তাড়াতাড়ি করার ভাবটি আরও স্পষ্ট। রাতের নামাজের শেষ অংশে বিতির পড়া ভালো হলেও ফজরের সময় চলে এলে আর দেরি করা যাবে না। তাই যে ব্যক্তি রাতের শেষ ভাগে ইবাদত করতে চায়, তাকে সময় বুঝে চলতে হবে। আর যে উঠতে পারবে কি না নিশ্চিত নয়, সে আগেই বিতির পড়ে নিলে হাদিসের মর্মের সঙ্গে মিল থাকে। তবে এ ব্যাখ্যা হাদিসের সরাসরি নির্দেশের বাইরে কোনো নতুন বিধান বানাচ্ছে না; মূল কথা হলো ফজরের আগে বিতির সম্পন্ন করা। এই কারণে বিতিরের শেষ সময়, ফজরের আগে বিতির, রাতের শেষ নামাজ—এসব কীওয়ার্ড এই হাদিসের সঙ্গে খুব প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিতির নামাজ ফজর হওয়ার আগেই পড়ে নেওয়া উচিত।
- রাতের ইবাদতে দেরি করলে সময় ছুটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
- সময় বুঝে আমল করা নামাজের যত্নের অংশ।
