৯/২০৫. অধ্যায়ঃ
বিতরের প্রতি উৎসাহ দান, তা সুন্নতে মুআক্কাদাহ এবং তা পড়ার সময়
বিতরের নামাজের সময়: রাতের প্রথম থেকে ভোরের আগে পর্যন্ত
রিয়াদুস সালেহীন : ২/১১৪০
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ২/১১৪০
وَعَنْ عَائِشَة رَضِيَ اللهُ عَنْهَا، قَالَتْ: مِنْ كُلِّ اللَّيْلِ قَدْ أَوْتَرَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، مِنْ أَوَّلِ اللَّيْلِ، وَمِنْ أوْسَطِهِ، وَمِنْ آخِرِهِ، وَانْتَهَى وِتْرُهُ إِلَى السَّحَرِ . متفقٌ عَلَيْهِ
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ’রাতের প্রতিটি ভাগেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিতির পড়েছেন; রাতের প্রথম ভাগে, এর মধ্য ভাগে ও শেষ ভাগে। তাঁর বিতরের শেষ সময় ছিল ভোরবেলা পর্যন্ত।’ (বুখারী, মুসলিম)[১](অর্থাৎ এর প্রথম সময় এশার পর পরই শুরু হয় আর শেষ সময় ফজর উদয়কাল অবধি অবশিষ্ট থাকে। এর মধ্যে যে কোন সময় ১,৩,৫,৭, প্রভৃতি বিজোড় সংখ্যায় বিতির পড়া বিধেয়।)
মুসলিম ৭৪৫, তিরমিযী ৪৫৬, নাসায়ী ১৬৮১, আবূ দাউদ ১৪৩৫, ইবনু মাজাহ ১১৮৫, আহমাদ ২৪৪৫৩, দারেমী ১৫৮৭
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ২/১১৪০-এর সারসংক্ষেপ
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم রাতের প্রতিটি ভাগেই বিতর পড়েছেন—রাতের প্রথম ভাগে, মধ্য ভাগে এবং শেষ ভাগে। তাঁর বিতরের শেষ সময় ছিল ভোরবেলা পর্যন্ত। অনুবাদে আরও ব্যাখ্যা এসেছে যে, এশার পর থেকে ফজর উদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বিতর পড়া যায় এবং বিজোড় সংখ্যায় পড়া হয়। এখানে “বিতরের নামাজের সময়”, “রাতের কোন সময়ে বিতর পড়া যায়”, “বিতর শেষ সময়” এবং “ফজরের আগে বিতর” গুরুত্বপূর্ণ কীওয়ার্ড। হাদিসের মূল বার্তা হলো বিতরের সময়ের প্রশস্ততা। তবে হাদিসে একটি নির্দিষ্ট সময়কে বাধ্যতামূলক করা হয়নি; বরং নবী صلى الله عليه وسلم ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পড়েছেন। তাই পাঠক নিজের সুযোগ অনুযায়ী বিতর আদায়ের সময় বুঝতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم রাতের প্রথম, মধ্য ও শেষ ভাগে বিতর পড়েছেন।
- বিতরের শেষ সময় ভোরের আগে পর্যন্ত—এ বর্ণনা এসেছে।
- হাদিস থেকে বিতরের সময়ের ব্যাপারে প্রশস্ততা বোঝা যায়।
