৯/১৯২. অধ্যায়ঃ
ফজর ও এশার জামাতে হাযির হতে উৎসাহ দান
এশা ও ফজর নামাজের ফজিলত এবং জামাতের ডাক
রিয়াদুস সালেহীন : ২/১০৭৯
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ২/১০৭৯
وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ: «وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِي العَتَمَةِ وَالصُّبْحِ لأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْواً». متفقٌ عَلَيهِ . وقد سبق بِطولِهِ .
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “যদি লোকে এশা ও ফজরের নামাযের ফযীলত জানতে পারত, তাহলে তাদেরকে হামাগুড়ি বা পাছা ছেঁচড়ে আসতে হলেও তারা অবশ্যই ঐ নামাযদ্বয়ে আসত।” (বুখারী ও মুসলিম) [১]এটি সবিস্তার ১০৪০ নম্বরে গত হয়েছে।
সহীহুল বুখারী ৬১৫, ৬৫৪, ৭২১, ২৪৭২, ২৬৮৯, ২৮২৯, ৫৭৩৩, মুসলিম ৪৩৭, ৪৩৯, ১৯১৪, তিরমিযী ২২৫, ১০৬৩, ১৯৫৮, নাসায়ী ৫৪০, ৬৭১, আবূ দাউদ ৫২৪৫, ইবনু মাজাহ ৭৯৭, আহমাদ ৭১৮৫, ৭৬৮০, ৭৭৮২, ৭৯৬২, ৮১০৬, ৮২৯৩, ৮৬৫৫, ৮৯৯৩, ৯২০২, ৯৭৫০, মুওয়াত্তা মালিক ১৫১, ২৯৫
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ২/১০৭৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এশা ও ফজরের নামাজের গুরুত্ব জোরালো ভাষায় এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, মানুষ যদি এশা ও ফজরের ফজিলত জানত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও ঐ দুই নামাজে আসত। অর্থাৎ এই দুই সময়ের জামাত এত মূল্যবান যে, মানুষ তার প্রকৃত ফজিলত বুঝলে কষ্টকেও বড় মনে করত না। ফজর ঘুমের সময়, এশা দিনের ক্লান্তির পর—তাই এই দুই নামাজে অবহেলা সহজে ঢুকে পড়ে। হাদিসটি সেই অবহেলার বিরুদ্ধে জাগিয়ে তোলে। তবে “হামাগুড়ি দিয়ে আসা” কথাটি ফজিলত বোঝানোর শক্ত ভাষা; ব্যাখ্যায় এর বাইরে বাড়তি দাবি করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এশা ও ফজরের জামাত বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
- ফজিলত জানা থাকলে ইবাদতের আগ্রহ বাড়ে।
- ঘুম ও ক্লান্তির সময় নামাজে যত্ন রাখা দরকার।
- হাদিসের শক্ত ভাষা অবহেলা থেকে সতর্ক করে।
