৯/১৯২. অধ্যায়ঃ
ফজর ও এশার জামাতে হাযির হতে উৎসাহ দান
এশা ও ফজর জামাতে পড়ার বিশেষ ফজিলত
রিয়াদুস সালেহীন : ১/১০৭৮
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/১০৭৮
عَن عُثمَانَ بنِ عَفَّانَ رضي الله عنه قَالَ: سَمِعتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ: «مَنْ صَلَّى العِشَاءَ فِي جَمَاعَةٍ، فَكَأنَّمَا قَامَ نِصْفَ اللَّيْلِ، وَمَنْ صَلَّى الصُّبْحَ فِي جَمَاعَةٍ، فَكَأنَّمَا صَلَّى اللَّيْلَ كُلَّهُ» رواه مُسلِموفي رواية الترمذي عَنْ عُثمَانَ بنِ عَفَّانَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : «مَنْ شَهِدَ العِشَاءَ فِي جَمَاعَةٍ كَانَ لَهُ قِيَامُ نِصْفِ لَيلَةٍ، وَمَنْ صَلَّى العِشَاءَ وَالفَجْرَ فِي جَمَاعَةٍ، كَانَ لَهُ كَقِيَامِ لَيْلَةٍ». قَالَ الترمذي: حديث حسن صحيح
উসমান ইবনে আফ্ফান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, “যে ব্যক্তি জামাতের সাথে এশার নামায আদায় করল, সে যেন অর্ধেক রাত পর্যন্ত কিয়াম (ইবাদত) করল। আর যে ফজরের নামায জামাতসহ আদায় করল, সে যেন সারা রাত নামায পড়ল।” (মুসলিম) [১]তিরমিযীর বর্ণনায় উসমান ইবনে আফফান (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি এশার নামাযের জামাতে হাযির হবে, তার জন্য অর্ধ-রাত পর্যন্ত কিয়াম করার নেকী হবে। আর যে এশা সহ ফজরের নামায জামাতে পড়বে, তার জন্য সারা রাত ব্যাপী কিয়াম করার সমান নেকী হবে।” (তিরমিযী, হাসান)
মুসলিম ৬৫৬, তিরমিযী ২২১, আবূ দাউদ ৫৫৫, আহমাদ ৪১০, ৪৯৩, মুওয়াত্তা মালিক ২৯৭
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/১০৭৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এশা ও ফজর জামাতে আদায়ের ফজিলত অত্যন্ত সুন্দরভাবে এসেছে। যে ব্যক্তি এশার নামাজ জামাতে পড়ে, তার জন্য অর্ধেক রাত কিয়াম করার মতো সওয়াবের কথা বলা হয়েছে। আর যে ফজরের নামাজ জামাতসহ পড়ে, সে যেন সারা রাত নামাজ পড়ল—এভাবে ফজিলত বোঝানো হয়েছে। তিরমিযীর বর্ণনায় এশা ও ফজর দুটোই জামাতে পড়লে পুরো রাত কিয়ামের সমান নেকীর কথা এসেছে। এখানে মূল বিষয় হলো, রাতের ঘুম ও আরামের সময়েও জামাতের নামাজকে গুরুত্ব দেওয়া। ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত প্রতিশ্রুতি যোগ করা যাবে না; হাদিসে যতটুকু এসেছে, ততটুকুই বলা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এশা জামাতে পড়া অর্ধেক রাত কিয়ামের সওয়াবের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
- ফজর জামাতে পড়ার ফজিলত খুব বড়ভাবে এসেছে।
- ঘুম ও অলসতা কাটিয়ে জামাতে আসা প্রশংসনীয়।
- হাদিসের নির্দিষ্ট ফজিলত ঠিকভাবে বলা জরুরি।
