৯/১৮৯. অধ্যায়ঃ
মসজিদে যাওয়ার ফযীলত
জামাতে নামাজে দূর থেকে আসা ও অপেক্ষার ফজিলত
রিয়াদুস সালেহীন : ৫/১০৬৪
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৫/১০৬৪
وَعَنْ أَبِي مُوسَى رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم :«إِنَّ أَعْظَمَ النَّاسِ أَجْراً فِي الصَّلاةِ أَبْعَدُهُمْ إلَيْهَا مَمْشىً، فَأَبْعَدُهُمْ، وَالَّذِي يَنْتَظِرُ الصَّلاَةَ حَتَّى يُصَلِّيَهَا مَعَ الإمَامِ أَعظَمُ أَجْراً مِنَ الَّذِي يُصَلِّيهَا ثُمَّ يَنَامُ». متفقٌ عَلَيْهِ
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “(মসজিদে জামাতসহ) নামায পড়ার ক্ষেত্রে, সেই ব্যক্তি সর্বাধিক বেশী নেকী পায়, যে ব্যক্তি সব চাইতে দূর-দূরান্ত থেকে আসে। আর যে ব্যক্তি (জামাতের সাথে) নামাযের অপেক্ষা না করেই একা নামায পড়ে শুয়ে যায়, তার চাইতে সেই বেশী নেকী পায়, যে নামাযের জন্য প্রতীক্ষা করে ও ইমামের সাথে জামাত সহকারে নামায আদায় করে।” (বুখারী, মুসলিম) [১]
সহীহুল বুখারী ৬৫১, মুসলিম ৬৬২
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৫/১০৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দুইটি বিষয় একসঙ্গে এসেছে। প্রথমত, মসজিদে জামাতের জন্য যে ব্যক্তি বেশি দূর থেকে আসে, তার নেকীর কথা বিশেষভাবে বলা হয়েছে। কারণ সে নামাজের জন্য সময়, কষ্ট ও পথ—সব কিছু ব্যয় করছে। দ্বিতীয়ত, যে ব্যক্তি নামাজের অপেক্ষা করে এবং ইমামের সঙ্গে জামাতে নামাজ পড়ে, সে সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশি নেকী পায়, যে একা নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে পড়ে। এখানে মূল বিষয় হলো জামাতে নামাজের ফজিলত। হাদিসটি আমাদের শেখায়, শুধু নামাজ পড়া নয়, জামাতের জন্য অপেক্ষা করা এবং ইমামের সঙ্গে আদায় করাও বড় আমল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দূর থেকে মসজিদে আসা নেকীর কারণ হতে পারে।
- ইমামের সঙ্গে জামাতে নামাজ পড়ার বিশেষ মর্যাদা আছে।
- নামাজের অপেক্ষাও ইবাদতের মূল্য বহন করে।
- একাকী পড়ার চেয়ে জামাতের দিকে আগ্রহী হওয়া উত্তম।
