৯/১৮৯. অধ্যায়ঃ
মসজিদে যাওয়ার ফযীলত
মসজিদে গমন: জান্নাতে আপ্যায়ন প্রস্তুতের সুসংবাদ
রিয়াদুস সলেহিন : ১/১০৬০
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ১/১০৬০
عَن أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ غَدَا إِلَى المَسْجِدِ أَوْ رَاحَ، أَعَدَّ اللهُ لَهُ فِي الجَنَّةِ نُزُلاً كُلَّمَا غَدَا أَوْ رَاحَ». متفقٌ عَلَيْهِ
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি সকাল অথবা সন্ধ্যায় মসজিদে গমন করে, আল্লাহ তার জন্য আপ্যায়ন সামগ্রী জান্নাতের মধ্যে প্রস্তুত করেন। সে যতবার সকাল অথবা সন্ধ্যায় গমনাগমন করে, আল্লাহও তার জন্য ততবার আতিথেয়তার সামগ্রী প্রস্তুত করেন।” (বুখারী-মুসলিম) [১]
সহীহুল বুখারী ৬৬২, মুসলিম ৪৬৭,৬৬৯,আহমাদ ১০২৩০
রিয়াদুস সলেহিন হাদিস ১/১০৬০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) মসজিদে যাওয়ার ফজিলত বলেছেন। যে ব্যক্তি সকাল অথবা সন্ধ্যায় মসজিদে যায়, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে আপ্যায়নের সামগ্রী প্রস্তুত করেন। হাদিসে আরও বলা হয়েছে, সে যতবার সকাল বা সন্ধ্যায় গমনাগমন করে, আল্লাহ ততবার তার জন্য আতিথেয়তার ব্যবস্থা প্রস্তুত করেন। ‘মসজিদে যাওয়ার ফজিলত’, ‘মসজিদে যাতায়াত’, ‘জান্নাতে আপ্যায়ন’—এসব এই হাদিসের প্রধান কীওয়ার্ড। এই হাদিস মুসলিমকে মসজিদের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে উৎসাহ দেয়। মসজিদে যাওয়া শুধু উপস্থিতি নয়; এটি আল্লাহর ঘরের দিকে নিয়মিত আগ্রহ ও ভালোবাসার প্রকাশ। তবে হাদিসে সকাল ও সন্ধ্যার কথাই এসেছে, তাই ব্যাখ্যাতেও সেটি মানা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সকাল বা সন্ধ্যায় মসজিদে যাওয়ার বিশেষ ফজিলত আছে।
- মসজিদে নিয়মিত যাতায়াত জান্নাতি আতিথেয়তার সুসংবাদের সঙ্গে যুক্ত।
- মসজিদের সঙ্গে সম্পর্ক মুসলিম জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- আল্লাহর ঘরের দিকে যাওয়া সম্মানিত আমল হিসেবে দেখা উচিত।
