৯/১৮৬. অধ্যায়ঃ
আযানের ফযীলত
আযান শুনলে কী বলবেন: মুয়াজ্জিনের জবাবের শিক্ষা
রিয়াদুস সালেহীন : ৬/১০৪৫
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৬/১০৪৫
وَعَنْ أَبي سَعِيدٍ الخُدرِيِّ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم «إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ، فَقُولُوا كَمَا يَقُوْلُ المُؤَذِّنُ». متفقٌ عَلَيْهِ
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “যখন তোমরা আযান ধ্বনি শুনবে, তখন (আযানের উত্তরে) মুয়াজ্জিন যা কিছু বলবে, তোমরাও ঠিক তাই বলো” (বুখারী, মুসলিম) [১]
সহীহুল বুখারী ৬১৪, ৪৭১৯, তিরমিযী ২১১, নাসায়ী ৬৮০, আবূ দাউদ ৫২৯, ইবনু মাজাহ ৭২২, আহমাদ ১৪৪০৩
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৬/১০৪৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিস খুব ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা খুব দরকারি। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যখন তোমরা আযান শুনবে, তখন মুয়াজ্জিন যা বলে তোমরাও তাই বলো। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, আযান শুধু শুনে চুপ থাকা নয়; বরং এতে অংশ নেওয়ার একটি আদব আছে। আযানের জবাব দেওয়া মানুষকে নামাযের ডাকের সঙ্গে মানসিকভাবে যুক্ত করে। ‘আযানের জবাব’, ‘মুয়াজ্জিন যা বলে তাই বলা’, ‘আযান শুনলে কী বলতে হয়’—এসব সার্চের জন্য এই হাদিস খুব উপযোগী। তবে হাদিসে যা এসেছে, আমরা সেটুকুই বলি: আযান শুনে মুয়াজ্জিনের কথার অনুরূপ বলা। এই সহজ আমল নামাযের ডাককে সম্মান করার একটি সুন্দর পথ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযান শুনলে মুয়াজ্জিনের কথার জবাব দেওয়ার শিক্ষা আছে।
- আযানকে মনোযোগ দিয়ে শোনা নামাযের আদবের অংশ।
- শ্রোতা আযানের সঙ্গে মুখে ও মনে সাড়া দিতে পারে।
- সহজ আমলও নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ হলে গুরুত্ব পায়।
