৯/১৮৫. অধ্যায়ঃ

ওজুর ফযীলত

মহান আল্লাহ বলেন,﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا قُمتم إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ فَٱغۡسِلُواْ وُجُوهَكُمۡ وَأَيۡدِيَكُمۡ إِلَى قَوْله تَعَالَى: مَا يُرِيدُ ٱللَّهُ لِيَجۡعَلَ عَلَيۡكُم مِّنۡ حَرَجٖ وَلَٰكِن يُرِيدُ لِيُطَهِّرَكُمۡ وَلِيُتِمَّ نِعۡمَتَهُۥ عَلَيۡكُمۡ لَعَلَّكُمۡ تَشۡكُرُونَ ٦ ﴾ (المائ‍دة: ٦অর্থাৎ “হে ঈমানদারগণ! যখন তোমরা নামাযের জন্য প্রস্তুত হবে, তখন তোমরা তোমাদের মুখমণ্ডল ও কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর এবং তোমাদের মাথা মাসাহ কর এবং পা গ্রন্থি পর্যন্ত ধৌত কর। আর যদি তোমরা অপবিত্র থাক, তাহলে বিশেষভাবে (গোসল করে) পবিত্র হও। যদি তোমরা পীড়িত হও অথবা সফরে থাক অথবা তোমাদের কেউ প্রস্রাব-পায়খানা হতে আগমন করে, অথবা তোমরা স্ত্রী-সহবাস কর এবং পানি না পাও, তাহলে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম কর; তা দিয়ে তোমাদের মুখমণ্ডল ও হস্তদ্বয় মাসাহ কর। আল্লাহ তোমাদেরকে কোন প্রকার কষ্ট দিতে চান না, বরং তিনি তোমাদেরকে পবিত্র করতে চান ও তোমাদের প্রতি তাঁর অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করতে চান, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন কর।” (সূরা মায়েদাহ ৬ আয়াত)

নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর মতো ওজু: নামাজ ও মসজিদে যাওয়ার অতিরিক্ত মর্যাদা

রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৪/১০৩৪

وَعَنْه، قَالَ: رَأيتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ مِثْلَ وُضُوئِي هَذَا، ثُمَّ قَالَ: «مَنْ تَوَضَّأ هكَذَا، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ، وَكَانَتْ صَلاَتُهُ وَمَشْيُهُ إِلَى المَسْجدِ نَافِلَةً». رواه مسلم

উক্ত রাবী হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে আমার এই ওজুর মত ওজু করতে দেখলাম। অতঃপর তিনি বললেন, “যে ব্যক্তি এরূপ ওজু করবে, তার পূর্বকৃত পাপরাশি মাফ করা হবে এবং তার নামায ও মসজিদের দিকে চলার সওয়াব অতিরিক্ত হবে।” (মুসলিম) [১]

সহীহুল বুখারী ১৬০, ১৬৪, ১৯৩৪, ৬৪৩৩, মুসলিম ২২৯, ২২৬, ২২৭, ২৩১২, নাসায়ী ৮৪, ৮৫, ১৪৫, ১৪৬, ৮৫৬, আবূ দাউদ ১০৬, ১০৮, ১১০, ইবনু মাজাহ ২৮৫, আহমাদ ৪০২, ৪১৭, ৪২০, ৪৩১, ৪৩২, ৪৬১, ৪৭৪, ৪৮৫, ৪৯১, ৫০৫, ৫১৮, ৫২৮, ৫৫৪, মুওয়াত্তা মালিক ৬১, দারেমী ৬৯৩

রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৪/১০৩৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে বর্ণনাকারী বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে তাঁর ওজুর মতো ওজু করতে দেখেছেন। এরপর নবীজি (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি এভাবে ওজু করবে, তার পূর্বকৃত পাপ মাফ করা হবে এবং তার নামাজ ও মসজিদের দিকে চলার সওয়াব অতিরিক্ত হবে। এখানে ওজুর পদ্ধতি, নামাজের প্রস্তুতি এবং মসজিদে যাওয়ার মর্যাদা একসঙ্গে এসেছে। হাদিসটি দেখায়, ভালো ওজু শুধু একটি আনুষ্ঠানিক কাজ নয়; এটি নামাজের আগে অন্তর ও দেহকে প্রস্তুত করে। মসজিদের পথে হাঁটাও আলাদা সওয়াবের কাজ হতে পারে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর দেখানো পদ্ধতিতে ওজু করার গুরুত্ব আছে।
  • ভালোভাবে ওজু করা পাপমোচনের কারণ হিসেবে এসেছে।
  • নামাজ এবং মসজিদের দিকে হাঁটা আলাদা সওয়াবের আমল।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন