৯/১৮৩. অধ্যায়ঃ
বিশেষ বিশেষ সূরা ও আয়াত পাঠ করার উপর উৎসাহ দান
দুই জ্যোতির সুসংবাদ: সূরা ফাতিহা ও সূরা বাকারার শেষ আয়াত
রিয়াদুস সালেহীন : ১৪/১০২৯
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১৪/১০২৯
وَعَنِ ابنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا: بَيْنَمَا جِبْرِيلُ عليه السلام قَاعِدٌ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم سَمِعَ نَقِيضاً مِنْ فَوقِهِ، فَرَفَعَ رَأسَهُ، فَقَالَ: هَذَا بَابٌ مِنَ السَّمَاءِ فُتِحَ اليَوْمَ وَلَمْ يُفْتَحْ قَطُّ إِلاَّ اليَوْمَ، فنَزلَ منهُ مَلَكٌ، فَقَالَ: هَذَا مَلَكٌ نَزَلَ إِلَى الأَرْضِ لَمْ يَنْزِلْ قَطّ إِلاَّ اليَومَ فَسَلَّمَ وَقَالَ: أَبْشِرْ بِنُورَيْنِ أُوتِيتَهُمَا لَمْ يُؤتَهُمَا نَبِيٌّ قَبْلَكَ: فَاتِحَةُ الكِتَابِ، وَخَواتِيمُ سُورَةِ البَقَرَةِ، لَنْ تَقْرَأَ بِحَرْفٍ مِنْهَا إِلاَّ أُعْطِيتَه. رواه مسلم
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা জিবরীল (আঃ) নবী (ﷺ) এর নিকট বসে ছিলেন। এমন সময় উপর থেকে একটি শব্দ শুনতে পেলেন। তিনি (জিবরীল) মাথা তুলে বললেন, ’এটি আসমানের একটি দরজা, যা আজ খোলা হল। ইতোপূর্বে এটা কখনও খোলা হয়নি। ওদিক দিয়ে একজন ফেরেশতা অবতীর্ণ হল। এই ফেরেশতা যে দুনিয়াতে অবতরণ করেছে, ইতোপূর্বে কখনও অবতরণ করেনি।’ সুতরাং তিনি এসে নবী (ﷺ)-কে সালাম জানিয়ে বললেন, “আপনি দু’টি জ্যোতির সুসংবাদ নিন। যা আপনার আগে কোন নবীকে দেওয়া হয়নি। (সে দু’টি হচ্ছে) সূরা ফাতেহা ও সূরা বাক্বারার শেষ আয়াতসমূহ। ওর মধ্য হতে যে বর্ণটিই পাঠ করবেন, তাই আপনাকে দেওয়া হবে।” (মুসলিম) [১]
মুসলিম ৮০৬
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১৪/১০২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জিবরীল (আঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে বসে ছিলেন। তখন আসমানের একটি দরজা খোলা হয়, যা আগে কখনও খোলা হয়নি। সেখান থেকে একজন ফেরেশতা নেমে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-কে দুই জ্যোতির সুসংবাদ দেন—সূরা ফাতিহা এবং সূরা বাকারার শেষ আয়াতসমূহ। হাদিসে বলা হয়েছে, এগুলো আগের কোনো নবীকে দেওয়া হয়নি। আরও বলা হয়েছে, এর মধ্য থেকে যে বর্ণ পাঠ করা হবে, তা দেওয়া হবে। এই হাদিস সূরা ফাতিহা ও বাক্বারার শেষ আয়াতের মর্যাদা তুলে ধরে এবং কুরআন পাঠে আশা জাগায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূরা ফাতিহা ও সূরা বাকারার শেষ আয়াতসমূহের বিশেষ মর্যাদা আছে।
- কুরআনের কিছু অংশকে হাদিসে বিশেষ সুসংবাদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- কুরআন পাঠ মুমিনের জন্য আল্লাহর দান ও রহমতের দরজা খুলে দেয়।
