৯/১৮৩. অধ্যায়ঃ
বিশেষ বিশেষ সূরা ও আয়াত পাঠ করার উপর উৎসাহ দান
সূরা মুলকের ফজিলত: পাঠকারীর জন্য সুপারিশের বার্তা
রিয়াদুস সালেহীন : ৮/১০২৩
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৮/১০২৩
وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قَالَ: مِنَ القُرْآنِ سُورَةٌ ثَلاثُونَ آيَةً شَفَعَتْ لِرَجُلٍ حَتَّى غُفِرَ لَهُ، وَهِيَ: -تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ المُلْكُ-. رواه أَبُو داود والترمذي، وقال:(حديث حسن))
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “কুরআনে ত্রিশ আয়াতবিশিষ্ট একটি সূরা এমন আছে, যা তার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে এবং সব শেষে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে, সেটা হচ্ছে ’তাবা-রাকাল্লাযী বিয়্যাদিহিল মুলক’ (সূরা মুলক)।”(আবূ দাউদ, তিরমিযী হাসান)[১]
আবূ দাউদ ১৪০০, ২৮৯১, ইবনু মাজাহ ৩৭৮৬
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৮/১০২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কুরআনের একটি ত্রিশ আয়াতবিশিষ্ট সূরার কথা বলেছেন, যা তার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে। হাদিসে সূরাটির নামও বলা হয়েছে—তাবারাকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুলক, অর্থাৎ সূরা মুলক। এখানে মূল বিষয় হলো কুরআন পাঠের ফজিলত এবং নির্দিষ্ট সূরার বিশেষ মর্যাদা। হাদিসের ভাষা অনুযায়ী, এই সূরা পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে এবং শেষ পর্যন্ত তাকে ক্ষমা করা হবে। তাই সূরা মুলক শুধু মুখস্থ করার বিষয় নয়; নিয়মিত পড়া, অর্থ বোঝার চেষ্টা করা এবং কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা—এসবের দিকেও হাদিসটি ইশারা করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূরা মুলক ত্রিশ আয়াতবিশিষ্ট একটি মর্যাদাপূর্ণ সূরা।
- এই সূরা পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে বলে হাদিসে এসেছে।
- কুরআন পাঠ মানুষের জন্য আল্লাহর রহমত লাভের একটি বড় মাধ্যম।
