৯/১৮২. অধ্যায়ঃ
সুললিত কণ্ঠে কুরআন পড়া মুস্তাহাব। মধুরকণ্ঠ কারীকে তা পড়ার আবেদন করা ও তা মনোযোগ সহকারে শোনা প্রসঙ্গে
এশার নামাজে সূরা তীন ও রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর মধুর তিলাওয়াত
রিয়াদুস সালেহীন : ৩/১০১৩
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৩/১০১৩
وَعَنِ البَراءِ بنِ عَازِبٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ فِي الْعِشَاءِ بالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ، فَمَا سَمِعْتُ أَحَداً أَحْسَنَ صَوْتاً مِنْهُ . متفقٌ عَلَيْهِ
বারা’ ইবনে আযেব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, “আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে এশার নামাযে সূরা ’ওয়াত্তীন অয্যাইতূন’ পড়তে শুনেছি। বস্তুতঃ আমি তাঁর চেয়ে মধুর কণ্ঠ আর কারো শুনিনি।” (বুখারী, মুসলিম) [১]
সহীহুল বুখারী ৭৬৭, ৪৯৫২, ৭৫৪৬, মুসলিম ৪৬৪, তিরমিযী ৩১০, নাসায়ী ১০০০, ১০০১, আবূ দাউদ ১২২১, ইবনু মাজাহ ৮৩৫, মুওয়াত্তা মালিক ১৭৬
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/১০১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাহাবি বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে এশার নামাজে সূরা ‘ওয়াত্তীন অয্যাইতূন’ পড়তে শুনেছেন। এরপর তিনি বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর চেয়ে মধুর কণ্ঠ আর কারও শুনেননি। এই বর্ণনায় নামাজে কুরআন তিলাওয়াতের সৌন্দর্য এবং রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কণ্ঠের মাধুর্য উঠে এসেছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, নামাজে কুরআন পড়া শুধু নিয়মের কাজ নয়; তা মনোযোগ ও সুন্দর তিলাওয়াতের সঙ্গে হওয়া উচিত। তবে তিলাওয়াতের সৌন্দর্য যেন কুরআনের আদব ও বিনয়ের সঙ্গে থাকে, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নামাজে কুরআন তিলাওয়াত মনোযোগ দিয়ে করা উচিত।
- রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর তিলাওয়াত ছিল মধুর ও হৃদয়গ্রাহী।
- এশার নামাজে সূরা তীন পড়ার বর্ণনা এই হাদিসে আছে।
- সুন্দর কণ্ঠে তিলাওয়াত কুরআন শ্রবণকে আরও প্রভাবিত করে।
