৯/১৮২. অধ্যায়ঃ
সুললিত কণ্ঠে কুরআন পড়া মুস্তাহাব। মধুরকণ্ঠ কারীকে তা পড়ার আবেদন করা ও তা মনোযোগ সহকারে শোনা প্রসঙ্গে
আবু মূসা আশআরীর মধুর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত
রিয়াদুস সলেহিন : ২/১০১২
রিয়াদুস সলেহিনহাদিস নম্বর ২/১০১২
وَعَنْ أَبي مُوسَى الأَشعَرِي رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَهُ: «لَقدْ أُوتِيتَ مِزْمَاراً مِنْ مَزَامِيرِ آلِ دَاوُدَ». متفقٌ عَلَيْهِ.وفي رواية لمسلمٍ: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَهُ: «لَوْ رَأَيْتَنِي وَأنَا أسْتَمِعُ لِقِراءتِكَ الْبَارِحَةَ» ..
আবূ মুসা আশআরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেন, “তোমাকে দাউদের সুললিত কণ্ঠের মত মধুর কণ্ঠ দান করা হয়েছে।” (বুখারী, মুসলিম)[১]মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেন, “যদি তুমি আমাকে গত রাতে তোমার তেলাওয়াত শোনা অবস্থায় দেখতে (তাহলে তুমি কতই না খুশি হতে)!”
সহীহুল বুখারী ৫০৪৮, মুসলিম ৭৯৩, তিরমিযী ৩৮৫৫
রিয়াদুস সলেহিন হাদিস ২/১০১২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু মূসা আশআরী রাদিয়াল্লাহু আনহুর সুন্দর কণ্ঠের কথা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাঁকে বলেছিলেন, তোমাকে দাউদের পরিবারের সুললিত কণ্ঠের মতো মধুর কণ্ঠ দান করা হয়েছে। মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাঁর তিলাওয়াত শুনছিলেন এবং এ কথা তাঁকে জানিয়েছিলেন। এতে বোঝা যায়, সুন্দর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত করা প্রশংসনীয়, যদি তা কুরআনের আদব রেখে হয়। এখানে মূল শিক্ষা হলো কুরআনকে এমনভাবে পড়া, যাতে পড়া ও শুনা—দুটিই মনকে কুরআনের দিকে টানে। ভালো কণ্ঠ আল্লাহর দান; সেটি কুরআনের জন্য ব্যবহার করা সুন্দর আমল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সুন্দর কণ্ঠ আল্লাহর দান, তা কুরআন তিলাওয়াতে ব্যবহার করা ভালো।
- রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সাহাবির তিলাওয়াত শুনেছেন—এতে কুরআন শ্রবণের মূল্য বোঝা যায়।
- কুরআন সুন্দরভাবে পড়া প্রশংসনীয় আমল।
- তিলাওয়াতে কণ্ঠের সৌন্দর্যের সঙ্গে আদবও থাকা দরকার।
