১১/৬০. অধ্যায়ঃ

'আস্ত্রের প্রথম দু'রাক'আতের ক্বিরাআত

যুহর, আসর ও ফজরে কিরাআতের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য

সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৯৮০

أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنُ سَمُرَةَ قَالَ: «كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ فِي الظُّهْرِ وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى، وَفِي الْعَصْرِ نَحْوَ ذَلِكَ وَفِي الصُّبْحِ بِأَطْوَلَ مِنْ ذَلِكَ»

জাবির ইব্‌ন সামুরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) যুহর সালাতে "ওয়াল লাইলি ইজা ইয়াগশা" (সূরা আল লায়ল ৯২) এবং আসর সালাতে এর মতো সূরা এবং ফজরের সালাতে এর চেয়েও দীর্ঘ সূরা পাঠ করতেন।

সুনানে নাসাঈ হাদিস ৯৮০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে তিন ওয়াক্ত সালাতে সূরা নির্বাচনের তুলনামূলক চিত্র পাওয়া যায়। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم যুহরের সালাতে ‘ওয়াল লাইলি ইযা ইয়াগশা’ অর্থাৎ সূরা আল লাইল পড়তেন। আসরের সালাতে এর কাছাকাছি দৈর্ঘ্যের সূরা পাঠ করতেন। আর ফজরের সালাতে এর চেয়েও দীর্ঘ সূরা পড়তেন। ফলে হাদিসটির মূল বিষয় নির্দিষ্ট একটি সূরার নামের পাশাপাশি সালাতভেদে কিরাআতের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য। যুহর ও আসরে কাছাকাছি পরিমাণ, আর ফজরে তুলনামূলক দীর্ঘ কিরাআত ছিল। এতে প্রতিদিন সূরা আল লাইল পড়ার বাধ্যবাধকতা বলা হয়নি। বরং নবীজি صلى الله عليه وسلم-এর পাঠের একটি নমুনা এবং দৈর্ঘ্যের সাধারণ তুলনা তুলে ধরা হয়েছে। এই তুলনা কিরাআতের পরিমাণ বোঝাতে সহায়ক। সালাত অনুযায়ী সূরা নির্বাচনেও বৈচিত্র্য ছিল, কিন্তু বর্ণনায় নির্দিষ্ট বাধ্যতামূলক তালিকা দেওয়া হয়নি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • যুহরের সালাতে সূরা আল লাইল পাঠের বর্ণনা আছে।
  • আসরে এর কাছাকাছি দৈর্ঘ্যের সূরা পড়া হতো।
  • ফজরের কিরাআত যুহর-আসরের তুলনায় দীর্ঘ ছিল।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন