১১/৫৪. অধ্যায়ঃ

দিনের ক্বিরাআত

সালাতে কিরাআত কখন জোরে, কখন নীরবে

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৯৭০

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى قَالَ: أَنْبَأَنَا خَالِدٌ قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: «فِي كُلِّ صَلَاةٍ قِرَاءَةٌ، فَمَا أَسْمَعَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَسْمَعْنَاكُمْ، وَمَا أَخْفَاهَا أَخْفَيْنَا مِنْكُمْ»

আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

প্রত্যেক সালাতে কিরাআত রয়েছে। অতএব, যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের শুনিয়ে পাঠ করতেন তা আমরা তোমাদের শুনিয়ে পাঠ করব, আর যা তিনি আমাদের থেকে নীরবে পড়েছেন আমরাও তা তোমাদের থেকে নীরবে পাঠ করব।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৯৭০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসটি আগের বর্ণনার মতোই সালাতে কিরাআতের মৌলিক নিয়ম তুলে ধরে। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, প্রত্যেক সালাতে কিরাআত আছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم যে পাঠ সাহাবিদের শুনিয়েছেন, তাঁরা সেটি পরবর্তী মানুষদেরও শুনিয়ে পড়েছেন। আর যে পাঠ নবীজি صلى الله عليه وسلم নীরবে করেছেন, তাঁরা সেটিও নীরবে করেছেন। এখানে ব্যক্তিগত রুচি নয়, নববী পদ্ধতির অনুসরণই প্রধান। সালাতে কিরাআত শুধু পড়লেই হলো—এমন সাধারণ কথা নয়; বর্ণনাটি আওয়াজের ধরনেও অনুসরণের শিক্ষা দেয়। তবে হাদিসে নির্দিষ্ট সালাতের পূর্ণ তালিকা বা কিরাআতের পরিমাণ বলা হয়নি। তাই এর সরাসরি বার্তা হলো: সালাতে কুরআন পাঠ থাকবে এবং তা জোরে বা নীরবে হওয়ার ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর আমল অনুসরণ করা হবে। সাহাবিদের আচরণে এই অনুসরণের বাস্তব প্রয়োগও দেখা যায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সব সালাতে কিরাআতের উপস্থিতি বর্ণিত হয়েছে।
  • শুনিয়ে পড়া ও নীরবে পড়া—দুই পদ্ধতিই নববী আমলের অংশ।
  • সালাতের কিরাআতে ব্যক্তিগত পছন্দের চেয়ে অনুসরণ গুরুত্বপূর্ণ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন