১০/৬০. অধ্যায়ঃ
ইক্বামাতের সময় যে সলাত মাকরূহ
ইকামত হলে শুধু ফরজ সালাত: সুন্নত বা নফল নয়
সুনানে আন-নাসায়ী : ৮৬৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৮৬৫
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ زَكَرِيَّا قَالَ: حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ قَالَ: سَمِعْتُ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ يُحَدِّثُ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ فَلَا صَلَاةَ إِلَّا الْمَكْتُوبَةُ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যখন ইকামাত বলা হয় তখন ফরজ সালাত ছাড়া আর কোন সালাত নেই।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৮৬৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল নির্দেশ খুব সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট: ইকামত বলা হলে ফরজ সালাত ছাড়া অন্য কোনো সালাত নেই। অর্থাৎ জামাতের ফরজ সালাত শুরু করার ঘোষণা হয়ে গেলে আলাদা সুন্নত বা নফল সালাত নিয়ে ব্যস্ত না থেকে ফরজ জামাতের দিকে মন দিতে হবে। হাদিসটি ইকামতের পর করণীয় বোঝায় এবং অগ্রাধিকারের বিষয়টি পরিষ্কার করে। এখানে কোন সুন্নত কত রাকাত বা পরে কখন পড়তে হবে, সে বিস্তারিত বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যাতেও অতিরিক্ত মাসআলা যোগ করা হয়নি। “ইকামতের পর সুন্নত নামাজ”, “ইকামত হলে নফল পড়া যাবে কি” এবং “ফরজ জামাত শুরু হলে করণীয়”—এসব প্রশ্নের মূল উত্তর এই বাণীতে রয়েছে। সালাতে শৃঙ্খলা ও জামাতের সঙ্গে যুক্ত হওয়াই এখানে কেন্দ্রীয় শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইকামত শুরু হলে ফরজ সালাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
- সে সময় আলাদা সুন্নত বা নফল সালাত শুরু করা উচিত নয়।
- জামাতের ঘোষণা হলে দ্রুত কাতারে যুক্ত হওয়া দরকার।
- হাদিসের সংক্ষিপ্ত নির্দেশের বাইরে বাড়তি শর্ত আরোপ করা ঠিক নয়।
