১০/১৩. অধ্যায়ঃ
ইক্বামাতের পর ইমামের কোন প্রয়োজন দেখা দিলে
ইকামতের পর অপেক্ষা: ইমাম দেরি করলে জামাতের অবস্থা
সুনানে নাসাঈ : ৭৯১
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৭৯১
أَخْبَرَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ: «أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَجِيٌّ لِرَجُلٍ فَمَا قَامَ إِلَى الصَّلَاةِ حَتَّى نَامَ الْقَوْمُ»
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
সালাতের ইকামাত বলা হলো আর রসূলুল্লাহ (ﷺ) এক ব্যক্তির সঙ্গে একান্তে কথা বলছিলেন। অতঃপর তিনি সালাতের জন্য দাঁড়ালেন এমন সময় যে, তখন লোকেরা ঘুমিয়ে পড়েছিল।
[১] বিশেষ জরুরী কাজের জন্য রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছিলেন কিংবা বিশেষ প্রয়োজনে এরূপ করা যে জায়েয, তা বুঝানোর জন্য তিনি এরূপ করেছিলেন।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ৭৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দেখা যায়, সালাতের ইকামত বলা হয়েছিল, কিন্তু রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তখন এক ব্যক্তির সঙ্গে একান্তে কথা বলছিলেন। তিনি কথা শেষ না করা পর্যন্ত সালাতের জন্য দাঁড়াননি। অপেক্ষা এত দীর্ঘ হয়েছিল যে লোকেরা ঘুমিয়ে পড়েছিল। “ইকামতের পর ইমাম দেরি করলে” কী ঘটেছিল, এই বর্ণনা তা সরাসরি জানায়। এখানে কথোপকথনের বিষয়, দেরির কারণ বা ঘুমের ধরন সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। তাই অনুমান করে বাড়তি ঘটনা যোগ করা উচিত নয়। মূল শিক্ষা হলো, ইকামত হয়ে গেলেও প্রকৃত জামাত ইমাম দাঁড়ানোর পর শুরু হয় এবং মুসল্লিরা তাঁর জন্য অপেক্ষা করেছিল। এই হাদিস আগের ইকামত-সংক্রান্ত নির্দেশের একটি বাস্তব চিত্র হিসেবে বোঝা যায়, তবে ব্যাখ্যা অবশ্যই বর্ণিত ঘটনার সীমায় রাখতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইকামতের পরও রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কথোপকথন শেষ না করা পর্যন্ত দাঁড়াননি।
- মুসল্লিরা ইমামের জন্য অপেক্ষা করেছিল।
- অপেক্ষা দীর্ঘ হওয়ায় লোকেরা ঘুমিয়ে পড়েছিল—বর্ণনায় এ তথ্য স্পষ্ট।
