১০/৬. অধ্যায়ঃ

যদি দলে সর্দার শাসক থাকেন

অন্যের অধিকারভুক্ত স্থানে ইমামতি: অনুমতির গুরুত্ব

সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৭৮৩

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ التَّيْمِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ رَجَاءٍ، عَنْ أَوْسِ بْنِ ضَمْعَجٍ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يُؤَمُّ الرَّجُلُ فِي سُلْطَانِهِ وَلَا يُجْلَسُ عَلَى تَكْرِمَتِهِ إِلَّا بِإِذْنِهِ»

আবূ মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কোন ব্যক্তির অধিকারে ইমামত করা যাবে না এবং তার বসার জায়গায় বসা যাবে না। তবে হ্যাঁ তার অনুমতি পেলে।

সুনানে নাসাঈ হাদিস ৭৮৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিস মানুষের অধিকার ও শিষ্টাচারের দুটি দিক শেখায়। প্রথমত, কোনো ব্যক্তির কর্তৃত্ব বা অধিকারভুক্ত স্থানে তার অনুমতি ছাড়া অন্য কেউ ইমামতি করবে না। দ্বিতীয়ত, তার সম্মানিত বা নির্দিষ্ট বসার জায়গায়ও অনুমতি ছাড়া বসবে না। “অন্যের বাড়িতে ইমামতির নিয়ম” বা “অনুমতি ছাড়া ইমাম হওয়া” বিষয়ে এই বর্ণনা পরিষ্কার দিকনির্দেশনা দেয়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, ইবাদতের ক্ষেত্রেও স্থানীয় দায়িত্বশীল ব্যক্তির অধিকার উপেক্ষা করা যাবে না। একইভাবে কারও ব্যক্তিগত আসন বা সম্মানিত জায়গা দখল করাও ঠিক নয়। তবে তিনি অনুমতি দিলে ইমামতি করা বা সেখানে বসা যায়। হাদিসটি তাই নেতৃত্বের সঙ্গে ভদ্রতা, অনুমতি এবং অন্যের মর্যাদা রক্ষাকে যুক্ত করেছে। এর বাইরে কোনো বিস্তৃত সামাজিক বিধান এই পাঠে সরাসরি বলা হয়নি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • অন্যের অধিকারভুক্ত স্থানে অনুমতি ছাড়া ইমামতি করা যাবে না।
  • কারও নির্দিষ্ট সম্মানিত আসনে বসার আগে অনুমতি নিতে হবে।
  • অনুমতি পাওয়া গেলে ইমামতি বা বসার সুযোগ রয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন