৮/২৬. অধ্যায়ঃ

মাসজিদে হাতিয়ার বের করা প্রসঙ্গে

মসজিদে তীর বহনের সময় ধারালো দিক ঢেকে রাখার শিক্ষা

সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৭১৮

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَمُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ قَالَا: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ: قُلْتُ لِعَمْرٍو: أَسَمِعْتَ جَابِرًا يَقُولُ: مَرَّ رَجُلٌ بِسِهَامٍ فِي الْمَسْجِدِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «خُذْ بِنِصَالِهَا». قَالَ: نَعَمْ

সুফিয়ান (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি আমর (রহঃ)-কে বললাম, আপনি কি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, এক লোক কতকগুলো তীর নিয়ে মসজিদে গেল, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেন, এর ধারালো দিক হাতে ধর। তিনি বললেন, হ্যাঁ (শুনেছি)।

সুনানে নাসাঈ হাদিস ৭১৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের মূল বিষয় জননিরাপত্তা ও মসজিদের আদব। এক ব্যক্তি কয়েকটি তীর নিয়ে মসজিদের ভেতর দিয়ে যাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাকে তীরগুলোর ধারালো দিক হাতে ধরে রাখতে বলেন। উদ্দেশ্য স্পষ্ট: খোলা ধারালো অংশ যেন চলার পথে কাউকে আঘাত না করে। হাদিসটি শুধু তীরের বিষয়ে সীমাবদ্ধ একটি ঘটনা হলেও এর সরাসরি শিক্ষা হলো—বিপজ্জনক জিনিস বহনের সময় অন্য মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে মসজিদের মতো সমবেত স্থানে অসতর্কতা বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। বর্ণনায় দুর্ঘটনা ঘটেছিল বলে বলা হয়নি; বরং দুর্ঘটনা ঘটার আগেই প্রতিরোধমূলক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই মসজিদে বা জনসমাগমে ধারালো, ভারী বা আঘাত করতে পারে এমন বস্তু বহনের সময় নিয়ন্ত্রণ, আবরণ ও সতর্কতা বজায় রাখা দায়িত্বশীল আচরণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • তীরের ধারালো দিক হাতে ধরে রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
  • জনসমাগমে বিপজ্জনক বস্তু বহনের সময় অন্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।
  • ক্ষতি হওয়ার পর নয়, আগেই সতর্কতা নেওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন