১/৭. অধ্যায়ঃ
সায়িমের (রোযাদারের) জন্যে অপরাহ্নে মিসওয়াক করার অনুমতি
প্রত্যেক সালাতের আগে মিসওয়াক করার গুরুত্ব
সুনানে নাসাঈ : ৭
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৭
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমার উম্মতের জন্য যদি কষ্টকর মনে না করতাম তবে তাদেরকে প্রত্যেক সালাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মিসওয়াকের গুরুত্ব খুব শক্তভাবে বোঝা যায়। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যদি উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতেন, তবে তিনি তাদেরকে প্রত্যেক সালাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতেন। এখানে একদিকে মিসওয়াকের মর্যাদা আছে, অন্যদিকে উম্মতের প্রতি নবী صلى الله عليه وسلم-এর দয়ার দিকও আছে। তিনি এমন নির্দেশ দেননি, যা সবার জন্য কষ্টের কারণ হতে পারে। তবে কথাটি স্পষ্ট করে যে সালাতের আগে মুখ পরিষ্কার রাখা খুব সুন্দর আমল। মিসওয়াকের হাদিস হিসেবে এটি অনেক পরিচিত। সরাসরি শিক্ষা হলো, বাধ্যতামূলক না হলেও সালাতের সময় মিসওয়াক করা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল হিসেবে বিবেচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতের সময় মিসওয়াকের গুরুত্ব অনেক বেশি।
- নবী صلى الله عليه وسلم উম্মতের কষ্টের বিষয়টি বিবেচনা করেছেন।
- মিসওয়াক সালাতের প্রস্তুতির সুন্দর অংশ।
- ইবাদতের আগে মুখ পরিষ্কার রাখা ভালো আদব।
