৮/৭. অধ্যায়ঃ
নাবী (সাঃ)-এর মাসজিদে ও এর ভিতরে সলাত আদায় করার ফাযীলাত
নবীজির ঘর ও মিম্বারের মাঝের রওজার ফজিলত
সুনানে আন-নাসায়ী : ৬৯৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৬৯৫
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «مَا بَيْنَ بَيْتِي وَمِنْبَرِي رَوْضَةٌ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ»
আবদুল্লাহ ইবন্ যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমার ঘর এবং আমার মিম্বারের মধ্যস্থিত স্থান জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৬৯৫-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁর ঘর ও মিম্বারের মধ্যবর্তী স্থান সম্পর্কে বিশেষ মর্যাদার কথা বলেছেন। তিনি এই জায়গাকে জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান বলেছেন। এই স্থান সাধারণভাবে রওজা নামে পরিচিত। হাদিসের মূল বক্তব্য স্থানটির ফজিলত ও সম্মান। এতে সেখানে নির্দিষ্ট কোনো সালাতের সংখ্যা, নির্দিষ্ট দোয়া বা নিশ্চিত ব্যক্তিগত ফলের কথা বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি না করে হাদিসে যতটুকু এসেছে, ততটুকুই বলা উচিত। একজন মুসলিমের জন্য এই বর্ণনা মসজিদে নববীর ওই অংশের মর্যাদা বুঝতে সাহায্য করে। বর্ণনায় এই জায়গার মর্যাদার কথাই প্রধানভাবে বলা হয়েছে; নির্দিষ্ট কোনো বাড়তি আমল বা ফল উল্লেখ করা হয়নি। হাদিসে কেবল এই দুই স্থানের মাঝের জায়গাটির মর্যাদাই স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর ঘর ও মিম্বারের মাঝের স্থান বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ।
- হাদিসে স্থানটিকে জান্নাতের বাগানগুলোর একটি বলা হয়েছে।
- হাদিসে নেই এমন নির্দিষ্ট ফল বা আমল নিজের থেকে যোগ করা উচিত নয়।
