৮/২. অধ্যায়ঃ
মাসজিদের ব্যাপারে গর্ব করা
মসজিদ নিয়ে অহংকার: কেয়ামতের একটি আলামত
সুনানে নাসাঈ : ৬৮৯
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৬৮৯
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: " مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ: أَنْ يَتَبَاهَى النَّاسُ فِي الْمَسَاجِدِ "
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন: মসজিদের ব্যাপারে লোকের অহংকার করা কেয়ামতের আলামতের অন্তর্ভুক্ত।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ৬৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) মসজিদ নিয়ে মানুষের অহংকারকে কেয়ামতের আলামতের একটি বলেছেন। এর অর্থ, মসজিদ ইবাদত, আল্লাহর স্মরণ এবং মুসলিমদের সালাতের জায়গা হলেও মানুষ একসময় তা নিয়ে গর্ব ও প্রতিযোগিতায় জড়াতে পারে। হাদিসের মূল সতর্কতা হলো, মসজিদকে আত্মপ্রদর্শন বা একে অন্যকে ছাড়িয়ে যাওয়ার বিষয় বানানো ঠিক নয়। এখানে মসজিদ নির্মাণকে নিষেধ করা হয়নি; বরং মসজিদ নিয়ে অহংকার করার মানসিকতা নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। তাই মসজিদের কাজের সঙ্গে বিনয়, সঠিক উদ্দেশ্য এবং ইবাদতের গুরুত্ব বজায় রাখা দরকার। বাহ্যিক সৌন্দর্য বা বড়ত্ব নিয়ে গর্ব করাই যেন মূল লক্ষ্য না হয়। হাদিসটি মুসল্লি ও সমাজকে মনে করিয়ে দেয়, মসজিদের মর্যাদা তার ইবাদত ও আল্লাহর স্মরণের সঙ্গে যুক্ত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মসজিদ নিয়ে পরস্পর গর্ব করা কেয়ামতের আলামতের একটি।
- মসজিদকে আত্মপ্রদর্শনের মাধ্যম বানানো থেকে সতর্ক থাকা উচিত।
- মসজিদের মূল উদ্দেশ্য ইবাদত ও আল্লাহর স্মরণ।
