৮/১. অধ্যায়ঃ
মাসজিদ নির্মাণ করার ফাযীলাত প্রসঙ্গে
মসজিদ নির্মাণের ফজিলত ও জান্নাতের ঘরের সুসংবাদ
সুনানে নাসাঈ : ৬৮৮
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৬৮৮
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ قَالَ: حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، عَنْ بَحِيرٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ بَنَى مَسْجِدًا يُذْكَرُ اللَّهُ فِيهِ بَنَى اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ»
আমর ইব্ন আনবাসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি একটি মসজিদ তৈরি করবে, যাতে আল্লাহকে স্মরণ করা হবে, আল্লাহ তা’আলা জান্নাতে তার জন্যে একটি ঘর তৈরি করবেন।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ৬৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মসজিদ নির্মাণের বড় ফজিলত বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জানিয়েছেন, যে ব্যক্তি এমন একটি মসজিদ তৈরি করবে যেখানে আল্লাহকে স্মরণ করা হবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করবেন। এখানে মসজিদ নির্মাণের উদ্দেশ্যও স্পষ্ট করা হয়েছে—সেখানে আল্লাহর স্মরণ হবে। তাই শুধু ভবন তৈরি নয়, ইবাদত ও আল্লাহর স্মরণের জায়গা গড়ে তোলাই হাদিসের মূল বিষয়। হাদিসটি মুসলিম সমাজে মসজিদ প্রতিষ্ঠার কাজে উৎসাহ দেয় এবং এই কাজের আখিরাতের প্রতিদান জানায়। তবে বর্ণনায় মসজিদের আকার, সাজসজ্জা বা ব্যয়ের পরিমাণ নিয়ে কিছু বলা হয়নি। তাই শিক্ষা হলো, আল্লাহর স্মরণের জন্য মসজিদ নির্মাণে অংশ নেওয়া একটি মর্যাদাপূর্ণ আমল এবং এর জন্য জান্নাতে ঘরের সুসংবাদ রয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহর স্মরণের জন্য মসজিদ নির্মাণ একটি ফজিলতপূর্ণ কাজ।
- এই আমলের জন্য জান্নাতে ঘরের সুসংবাদ হাদিসে এসেছে।
- হাদিসের জোর ভবনের বাহ্যিক রূপের চেয়ে আল্লাহর স্মরণের উদ্দেশ্যের ওপর।
