৭/৩৯. অধ্যায়ঃ
আযান ও ইক্বামাতের মধ্যবর্তী সময়ে সলাত প্রসঙ্গে
আযান ও ইকামাতের মাঝে নফল সালাতের সুযোগ
সুনানে আন-নাসায়ী : ৬৮১
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৬৮১
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ كَهْمَسٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلَاةٌ. بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلَاةٌ. بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلَاةٌ لِمَنْ شَاءَ»
আবদুল্লাহ ইব্ন মুগাফ্ফাল (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত রয়েছে। প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত রয়েছে, প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত রয়েছে। যার ইচ্ছা হয় সে যেন আযান ও ইকামাতের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত আদায় করে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৬৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আযান ও ইকামাতের মধ্যবর্তী সময়কে নফল সালাতের একটি সুযোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) একই কথা তিনবার বলেছেন, যাতে বিষয়টির গুরুত্ব স্পষ্ট হয়। তবে শেষে তিনি বলেছেন, এটি সেই ব্যক্তির জন্য, যার ইচ্ছা হয়। অর্থাৎ এখানে ফরজ বা বাধ্যতামূলক আমলের কথা বলা হয়নি; বরং ইচ্ছুক মুসল্লি এই সময় নফল সালাত আদায় করতে পারেন। অনেক সময় আযানের পর মানুষ জামাতের অপেক্ষায় বসে থাকে। এই হাদিস সেই অপেক্ষার সময়কে ইবাদতে কাজে লাগানোর শিক্ষা দেয়। আযান ও ইকামাতের মাঝে সালাত আদায় করলে জামাতের প্রস্তুতিও হয় এবং মন সালাতের দিকে স্থির হয়। হাদিসের মূল কথা হলো, এই সময়টি অবহেলা না করে সামর্থ্য ও সুযোগ অনুযায়ী নফল সালাত পড়া যেতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযান ও ইকামাতের মাঝের সময় নফল সালাতের জন্য কাজে লাগানো যায়।
- এই সালাত ইচ্ছাধীন; হাদিসে একে বাধ্যতামূলক বলা হয়নি।
- জামাতের অপেক্ষার সময় ইবাদতে ব্যয় করার উৎসাহ পাওয়া যায়।
