৭/৩৫. অধ্যায়ঃ
মুয়াযযিনের অনুরূপ শাহাদাতের বাক্য বলা
নবী صلى الله عليه وسلم-এর আজানের জবাব: মুয়াজ্জিনের বাক্য অনুসরণ
সুনানে নাসাঈ : ৬৭৬
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৬৭৬
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ مُجَمِّعٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مُعَاوِيَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ: «سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَسَمِعَ الْمُؤَذِّنَ فَقَالَ مِثْلَ مَا قَالَ»---[حكم الألباني] سكت عنه الشيخ
আবু উমামা ইব্ন সাহল (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি মুয়াবিয়া (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। রসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন মুয়াজ্জিনের আজান শুনতেন তখন তাঁকে মুয়াজ্জিনের ন্যায় বাক্য বলতে শুনেছি।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ৬৭৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সরাসরি আমল বর্ণিত হয়েছে। মুয়াবিয়া (রাঃ) বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم যখন মুয়াজ্জিনের আজান শুনতেন, তখন মুয়াজ্জিনের মতো বাক্য বলতেন। এটি আজানের জবাব দেওয়ার সুন্নাহকে আরও সহজভাবে বুঝিয়ে দেয়। একজন মুসলিম আজান শুনে নীরব উদাসীন না থেকে ঘোষিত ঈমানি বাক্যগুলোর সঙ্গে নিজের কণ্ঠ মিলিয়ে নেয়। এতে আল্লাহর মহত্ত্ব, তাওহিদ এবং রিসালাতের সাক্ষ্য আবার স্মরণ হয়। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এতে বিশেষ বাক্যের ব্যতিক্রম বা আজান শেষে দোয়ার বিস্তারিত নেই। সেসব বিষয় অন্য হাদিসে পাওয়া যায়। এই হাদিস থেকে সরাসরি শিক্ষা হলো, মুয়াজ্জিনের বাক্য শুনে অনুরূপ বাক্য বলা নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল। নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত আজানের সময় এই ছোট আমল পালন করা সহজ এবং স্মরণশক্তি ও মনোযোগ দিয়ে অভ্যাস করা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আজানের জবাব দেওয়া রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর আমল।
- মুয়াজ্জিনের বাক্য মনোযোগ দিয়ে শুনে অনুরূপ বাক্য বলা হয়।
- আজানের জবাব ঈমানের মূল কথাগুলো স্মরণ করায়।
- বিশেষ বাক্য ও পরের দোয়ার বিস্তারিত অন্য বর্ণনায় দেখতে হবে।
