৭/৩৩. অধ্যায়ঃ
মুয়াযযিন আযানে যে শব্দ উচ্চারণ করবে শ্রোতারাও অনুরূপ শব্দ বলবে
আজানের জবাব কীভাবে দেবেন: মুয়াজ্জিনের সঙ্গে বাক্য বলার সুন্নাহ
সুনানে আন-নাসায়ী : ৬৭৩
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৬৭৩
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ الْمُؤَذِّنُ»
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যখন তোমরা আজানের শব্দ শুনবে তখন (উত্তরে) মুয়াজ্জিনের শব্দের অনুরূপ শব্দ উচ্চারণ করবে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৬৭৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের শিক্ষা খুব সরল ও সরাসরি। যখন আজানের শব্দ শোনা যায়, তখন মুয়াজ্জিন যে বাক্যগুলো বলেন, শ্রোতাও সেগুলোর অনুরূপ বাক্য বলবে। অর্থাৎ আজানকে শুধু পটভূমির শব্দ হিসেবে না রেখে মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে এবং মুখে জবাব দিতে হবে। এতে আজানের সঙ্গে শ্রোতার সক্রিয় সম্পর্ক তৈরি হয়। হাদিসে দীর্ঘ কোনো শর্ত বা জটিল পদ্ধতি বলা হয়নি। তাই মূল আমল হলো মুয়াজ্জিনের বাক্যের অনুসরণ করা। এই বর্ণনায় “হাইয়া আলাস সালাহ” ও “হাইয়া আলাল ফালাহ”-এর জবাব আলাদাভাবে উল্লেখ নেই; সে বিষয়টি অন্য বর্ণনায় এসেছে। ফলে এই হাদিসের ব্যাখ্যায় শুধু এর সাধারণ নির্দেশটিই রাখা হয়েছে। আজানের জবাব দেওয়ার অভ্যাস গড়তে হলে কথা, কাজ বা মোবাইল ব্যবহারের মাঝেও কিছু সময় থেমে মনোযোগ দিয়ে আজান শোনা উপকারী।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আজান মনোযোগ দিয়ে শোনা উচিত।
- মুয়াজ্জিনের বাক্যের অনুরূপ বাক্য মুখে বলা সুন্নাহ।
- আজানের জবাব একটি সহজ ও নিয়মিত আমল।
- বিশেষ বাক্যের আলাদা জবাব জানতে সংশ্লিষ্ট অন্য বর্ণনা দেখতে হবে।
