৭/২৯. অধ্যায়ঃ
প্রত্যেক ব্যক্তির নিজের জন্যে ইক্বামাত বলা
দুই ব্যক্তি হলে আজান, ইকামাত ও ইমামতির নিয়ম
সুনানে আন-নাসায়ী : ৬৬৯
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৬৬৯
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ قَالَ: أَنْبَأَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلِصَاحِبٍ لِي: «إِذَا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ، فَأَذِّنَا ثُمَّ أَقِيمَا، ثُمَّ لِيَؤُمَّكُمَا أَحَدُكُمَا»
মালিক ইব্ন হুয়ায়রিস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে এবং আমার এক সাথীকে বললেন, যখন সালাতের সময় হবে তখন তোমরা আজান দিবে। পরে ইকামাত দিবে এবং যে তোমাদের মাঝে বড় সে ইমামতি করবে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৬৬৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে অল্পসংখ্যক মুসল্লির জন্যও সালাতের শৃঙ্খলা শেখানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم মালিক ইবন হুয়াইরিস (রাঃ) এবং তাঁর এক সাথীকে বলেন, সালাতের সময় হলে তারা আজান দেবে, এরপর ইকামাত দেবে এবং তাদের মধ্যে একজন ইমামতি করবে। অনুবাদে বয়সে বড় ব্যক্তিকে ইমাম করার কথা এসেছে। এতে বোঝা যায়, মাত্র দুইজন হলেও আজান, ইকামাত ও জামাতের গুরুত্ব রয়েছে। সালাতের সময় উপস্থিত হলে প্রথমে মানুষকে জানানো, তারপর সালাত শুরু হওয়ার ঘোষণা দেওয়া এবং একজনের নেতৃত্বে একসঙ্গে দাঁড়ানো—এই তিনটি ধাপ স্পষ্ট। হাদিসটি ছোট দল বা সফরসঙ্গীদের জন্য বিশেষভাবে কাজে লাগে। তবে ইমাম নির্বাচনের সব শর্ত এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় নেই। তাই এখান থেকে শুধু এতটুকুই বলা যায় যে এই দুই ব্যক্তির ক্ষেত্রে নবী صلى الله عليه وسلم তাঁদের মধ্যে বড়জনকে ইমাম হতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুইজন মুসল্লি হলেও আজান ও ইকামাত দেওয়া যায়।
- সালাত জামাতে আদায়ের জন্য একজন ইমাম হবে।
- এই বর্ণনায় দুই সাথীর মধ্যে বড়জনকে ইমাম করার নির্দেশ আছে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকে ইমামতির সব শর্ত তৈরি করা ঠিক নয়।
