৬/৫৪. অধ্যায়ঃ
সলাত আদায় না করে ঘুমিয়ে পড়লে পরের দিন সে ওয়াক্তে ক্বাযা আদায় করা
সালাত ভুলে গেলে স্মরণেই আদায় এবং সূরা ত্ব-হা ১৪
সুনানে আন-নাসায়ী : ৬২০
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৬২০
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " مَنْ نَسِيَ صَلَاةً فَلْيُصَلِّهَا إِذَا ذَكَرَهَا؛ فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ: {أَقِمِ الصَّلَاةَ لِلذِّكْرَى} " قُلْتُ لِلزُّهْريِّ: هَكَذَا قَرَأَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: نَعَمْ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি সালাত ভুলে গেল সে যেন যখনই স্মরণ হয় তখনই তা আদায় করে নেয়। কেননা আল্লাহ তাআলা বলেন, “এবং আমার স্মরণার্থে সালাত কায়েম কর”– (সূরা ত্ব-হা- ২০: ১৪)।মা‘মার (রহঃ) বলেন, আমি যুহরীকে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (এভাবেই আয়াত) পাঠ করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৬২০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ভুলে যাওয়া সালাতের করণীয় আবারও স্পষ্ট করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, যে ব্যক্তি সালাত ভুলে যায়, তার যখন স্মরণ হবে তখনই তা আদায় করবে। এরপর আল্লাহ তাআলার বাণী উল্লেখ করা হয়েছে: “আমার স্মরণার্থে সালাত কায়েম কর।” বর্ণনার শেষ অংশে মা’মার (রহঃ) যুহরী (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কি আয়াতটি এভাবেই পাঠ করেছিলেন। যুহরী (রহঃ) বলেন, হ্যাঁ। তাই এই হাদিসে দুটি দিক আছে: ভুলে যাওয়া সালাত স্মরণ হলে আদায় করা এবং উদ্ধৃত আয়াতের পাঠ সম্পর্কে রাবীর নিশ্চিতকরণ। “নামাজ ভুলে গেলে করণীয়” বিষয়ের মূল উত্তর এখানেও একই—মনে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সালাত আদায়। বর্ণনায় ইচ্ছাকৃত ত্যাগ, আলাদা কাফফারা বা অন্য কোনো কাজের কথা নেই। ব্যাখ্যাটি সেই সীমার মধ্যেই রাখা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত ভুলে গেলে স্মরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আদায় করতে হবে।
- সূরা ত্ব-হা ১৪ নম্বর আয়াত হাদিসে উদ্ধৃত হয়েছে।
- মা’মার (রহঃ) আয়াতের পাঠ সম্পর্কে প্রশ্ন করেছেন।
- যুহরী (রহঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর এভাবে পাঠ করার কথা নিশ্চিত করেছেন।
