৬/৪১. অধ্যায়ঃ
মাক্কাহ্ শরীফে সব সময় সলাতের অনুমতি প্রদান।
বায়তুল্লাহ তাওয়াফ ও সালাত আদায়ে বাধা না দেওয়ার হাদিস
সুনানে আন-নাসায়ী : ৫৮৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৫৮৫
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ: سَمِعْتُ مِنْ أَبِي الزُّبَيْرِ قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ بَابَاهَ يُحَدِّثُ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «يَا بَنِي عَبْدِ مَنَافٍ، لَا تَمْنَعُوا أَحَدًا طَافَ بِهَذَا الْبَيْتِ وَصَلَّى أَيَّةَ سَاعَةٍ شَاءَ مِنْ لَيْلٍ أَوْ نَهَارٍ»
জুবায়র ইব্ন মুত‘ইম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন: হে আব্দে মানাফের বংশধর! এ ঘরের (বায়তুল্লাহ) তওয়াফ করলে এবং এতে রাত বা দিনের যে কোন সময় কেউ সালাত আদায় করলে তাঁকে তোমরা বাধা দেবে না।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৫৮৫-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: তাওয়াফ সালাত। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم আবদে মানাফের বংশধরদের উদ্দেশে একটি পরিষ্কার নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো ব্যক্তি বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করলে এবং রাত বা দিনের যেকোনো সময়ে সেখানে সালাত আদায় করলে তাকে বাধা দেওয়া যাবে না। হাদিসটির কেন্দ্রীয় শিক্ষা হলো, কাবাঘর তাওয়াফ এবং তাওয়াফের সঙ্গে যুক্ত সালাত আদায়ের সুযোগ মানুষের জন্য খোলা রাখা। এখানে রাত ও দিনের মধ্যে কোনো আলাদা সীমা উল্লেখ করা হয়নি। একই সঙ্গে বর্ণনাটি দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আচরণও শেখায়। তাদের কাজ ইবাদতকারীদের অযথা থামানো নয়। তবে হাদিসে তাওয়াফের নিয়ম, চক্করের সংখ্যা, সালাতের রাকাত বা অন্যান্য বিস্তারিত বিধান বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যাও এই নির্দিষ্ট নির্দেশের মধ্যেই সীমিত রাখা উচিত। অর্থাৎ কেউ বায়তুল্লাহ তাওয়াফ ও সালাত আদায় করতে চাইলে কেবল সময়ের কারণে তাকে বাধা দেওয়া যাবে না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাত বা দিনের যেকোনো সময়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফকারীকে বাধা দিতে নিষেধ করা হয়েছে।
- তাওয়াফের সঙ্গে সালাত আদায় করলেও তাকে বাধা দেওয়া যাবে না।
- ইবাদতের স্থান পরিচালনায় অযথা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা উচিত নয়।
- হাদিসে উল্লিখিত নির্দেশের বাইরে অতিরিক্ত নিয়ম আরোপ করা ঠিক নয়।
