৬/৩৫. অধ্যায়ঃ
'আস্ত্রের পর সলাত আদায় করা নিষিদ্ধ
সুনানে নাসাঈ : ৫৭২
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৫৭২
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ مَنْصُورٍ قَالَ: أَنْبَأَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ قَالَ: حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو يَحْيَى سُلَيْمُ بْنُ عَامِرٍ، وَضَمْرَةُ بْنُ حَبِيبٍ، وَأَبُو طَلْحَةَ نُعَيْمُ بْنُ زِيَادٍ قَالُوا: سَمِعْنَا أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيَّ يَقُولُ: سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ عَبَسَةَ يَقُولُ: قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَلْ مِنْ سَاعَةٍ أَقْرَبُ مِنَ الْأُخْرَى أَوْ هَلْ مِنْ سَاعَةٍ يُبْتَغَى ذِكْرُهَا؟ قَالَ: «نَعَمْ. إِنَّ أَقْرَبَ مَا يَكُونُ الرَّبُّ عَزَّ وَجَلَّ مِنَ الْعَبْدِ جَوْفَ اللَّيْلِ الْآخِرَ، فَإِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ تَكُونَ مِمَّنْ يَذْكُرُ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ فِي تِلْكَ السَّاعَةِ فَكُنْ؛ فَإِنَّ الصَّلَاةَ مَحْضُورَةٌ مَشْهُودَةٌ إِلَى طُلُوعِ الشَّمْسِ، فَإِنَّهَا تَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَيِ الشَّيْطَانِ وَهِيَ سَاعَةُ صَلَاةِ الْكُفَّارِ، فَدَعِ الصَّلَاةَ حَتَّى تَرْتَفِعَ قِيدَ رُمْحٍ وَيَذْهَبَ شُعَاعُهَا، ثُمَّ الصَّلَاةُ مَحْضُورَةٌ مَشْهُودَةٌ حَتَّى تَعْتَدِلَ الشَّمْسُ اعْتِدَالَ الرُّمْحِ بِنِصْفِ النَّهَارِ؛ فَإِنَّهَا سَاعَةٌ تُفْتَحُ فِيهَا أَبْوَابُ جَهَنَّمَ وَتُسْجَرُ فَدَعِ الصَّلَاةَ حَتَّى يَفِيءَ الْفَيْءُ، ثُمَّ الصَّلَاةُ مَحْضُورَةٌ مَشْهُودَةٌ حَتَّى تَغِيبَ الشَّمْسُ؛ فَإِنَّهَا تَغِيبُ بَيْنَ قَرْنَيْ شَيْطَانٍ وَهِيَ صَلَاةُ الْكُفَّارِ»
আমর ইব্ন আবাসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! এমন কোন সময় আছে কি যে সময়ে অন্য সময়ের তুলনায় আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভ করা যায়? অথবা এমন কোন সময় আছে কি আল্লাহর যিকরের জন্যে যে সময় বেশী মনোযোগী হওয়া যায়? তিনি বললেন, হ্যাঁ! রাতের শেষ ভাগে আল্লাহ তাআলা বান্দার খুব নিকটবর্তী হন। সম্ভব হলে তুমিও সে সময় আল্লাহর যিকরকারীদের সাথী হবে। কারণ ঐ সময়ের সালাতে ফেরেশতাগণ উপস্থিত থাকেন এবং দেখে থাকেন আর এ অবস্থা সূর্যোদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। সূর্য শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝখান দিয়ে উঠে আর তা কাফিরদের ইবাদতের সময়। কাজেই ঐ সময় সালাত আদায় করা হতে বিরত থাকবে, যতক্ষণ এক বল্লম বরাবর সূর্য উপরে না ওঠে এবং তার উদয়কালীন আলোকরশ্মি দূর না হয়। পুনরায় ফেরেশতাগণ সালাতে উপস্থিত হয়ে থাকেন এবং প্রত্যক্ষ করেন দ্বিপ্রহরে সূর্য বর্শার মতো সোজা না হওয়া পর্যন্ত। কারণ তা এমন একটি সময় যে সময়ে জাহান্নামের দরজা খুলে দেয়া হয় এবং তা আরো প্রজ্জ্বলিত করা হয়। তখন ছায়া ঝুঁকে না পড়া পর্যন্ত সালাত আদায় করবে না। এরপর আবার সালাতে ফেরেশতাগণ উপস্থিত হয়ে থাকেন এবং প্রত্যক্ষ করেন সূর্যাস্ত পর্যন্ত। অতঃপর সূর্য শয়তানের দুই শিংয়ের মধ্যখানে অস্ত যায় আর তা কাফিরদের ইবাদতের সময়।
