১/৪১. অধ্যায়ঃ
পানির দ্বারা পবিত্রতা অর্জন প্রসঙ্গ
পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা: নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর পবিত্রতার আমল
সুনানে নাসাঈ : ৪৫
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৪৫
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: أَنْبَأَنَا النَّضْرُ قَالَ: أَنْبَأَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا دَخَلَ الْخَلَاءَ أَحْمِلُ أَنَا وَغُلَامٌ مَعِي نَحْوِي إِدَاوَةً مِنْ مَاءٍ فَيَسْتَنْجِي بِالْمَاءِ»
আতা ইব্ন আবূ মায়মূনা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আতা ইবনু আবু মায়মূনা (রহঃ) বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পায়খানার স্থানে আসতেন তখন আমি এবং আমার সাথে আমার মতই আর একটি ছেলে পানির পাত্র বহন করে নিয়ে যেতাম। তিনি (ﷺ) সে পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করতেন।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ৪৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) যখন পায়খানার স্থানে আসতেন, তখন তিনি এবং তাঁর সঙ্গে আরেকটি ছেলে পানির পাত্র নিয়ে যেতেন। এরপর নবী (صلى الله عليه وسلم) সেই পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করতেন। এই বর্ণনা খুব সহজভাবে দেখায় যে শৌচকার্যের পর পানি ব্যবহার করা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমলের মধ্যে ছিল। এখানে বাড়তি কোনো জটিল কথা নেই; মূল শিক্ষা হলো পরিচ্ছন্নতা। পানি দিয়ে পবিত্রতা অর্জন, পায়খানার পর শৌচকার্য এবং ইস্তিঞ্জার আদব—এই তিনটি বিষয় হাদিসে স্পষ্টভাবে এসেছে। যারা পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জার হাদিস খোঁজেন, তাদের জন্য এটি সরাসরি প্রমাণধর্মী বর্ণনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) পায়খানার পর পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করতেন।
- পবিত্রতার জন্য পানির ব্যবস্থা রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
- আনাস (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর জন্য পানির পাত্র বহন করতেন।
- শৌচকার্যের পর পরিচ্ছন্নতা ইসলামে গুরুত্ব পেয়েছে।
