৪/১. অধ্যায়ঃ
আবদ্ধ পানিতে অপবিত্র ব্যক্তির গোসলের নিষেধাজ্ঞা
আবদ্ধ পানিতে প্রস্রাব করে ওযু বা গোসল নয়: পবিত্রতার স্পষ্ট হাদিস
সুনানে আন-নাসায়ী : ৩৯৭
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৩৯৭
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ قَالَ: حَدَّثَنَا حِبَّانُ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا يَبُولَنَّ الرَّجُلُ فِي الْمَاءِ الدَّائِمِ، ثُمَّ يَغْتَسِلُ مِنْهُ أَوْ يَتَوَضَّأُ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবু হুরাইরা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, কোন ব্যক্তি যেন আবদ্ধ পানিতে প্রস্রাব করে তাতে অপবিত্র অবস্থায় গোসল অথবা ওযু না করে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৩৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কোনো ব্যক্তি যেন আবদ্ধ পানিতে প্রস্রাব করে তারপর তাতে অপবিত্র অবস্থায় গোসল অথবা ওযু না করে। এটি খুব স্পষ্ট ব্যবহারিক শিক্ষা। আবদ্ধ পানিতে প্রস্রাব, ওযুর পানি পবিত্রতা এবং বদ্ধ পানিতে গোসল বিষয়গুলো এখানে একসাথে এসেছে। হাদিসের মূল কথা হলো, যে পানি প্রবাহিত নয়, তাতে প্রস্রাব করে আবার সেই পানি ব্যবহার করা ঠিক নয়। এতে পানি নোংরা হয় এবং অন্যদের জন্য কষ্টের কারণ হতে পারে—এমন সাধারণ বোঝাপড়া করা যায়, তবে অতিরিক্ত স্বাস্থ্যগত দাবি হাদিসের বাইরে না নেওয়াই ভালো। ইসলাম পবিত্রতাকে শুধু নিজের শরীরের বিষয় করে রাখেনি; পানি ও পরিবেশের পরিচ্ছন্নতার দিকও দেখিয়েছে। এই হাদিস দৈনন্দিন জীবনে সতর্কতা শেখায়: পবিত্রতা অর্জনের আগে পানিকে অপবিত্র করার কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আবদ্ধ পানিতে প্রস্রাব করতে নিষেধ করা হয়েছে।
- প্রস্রাব করা পানিতে গোসল বা ওযু করতে নিষেধ এসেছে।
- পানি ব্যবহার করার আগে সেটিকে নোংরা না করা জরুরি।
- ব্যক্তিগত পবিত্রতার সঙ্গে পানি রক্ষার সম্পর্ক আছে।
