৩/১২. অধ্যায়ঃ
ঋতুমতী স্ত্রীর শরীরে শরীর মিলানো
ঋতুমতী স্ত্রীর সঙ্গে সীমিত ঘনিষ্ঠতা: হায়েজের আদব
সুনানে নাসাঈ : ৩৭৪
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৩৭৪
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الْأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: كَانَتْ «إِحْدَانَا إِذَا حَاضَتْ أَمَرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تَتَّزِرَ، ثُمَّ يُبَاشِرُهَا»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমাদের কেউ ঋতুমতী হলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে শক্ত করে কাপড় বাঁধার আদেশ দিতেন। তারপর তিনি (ﷺ) তার দেহের সঙ্গে দেহ মিলাতেন।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ৩৭৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) একই বিষয়ের আরেকটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, তাঁদের কেউ হায়েজ হলে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাকে কাপড় বাঁধার আদেশ দিতেন, এরপর তার দেহের সঙ্গে দেহ মিলাতেন। এখানে ‘কাপড় বাঁধা’ এবং ‘দেহের সঙ্গে দেহ মিলানো’—দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমটি সতর্কতা ও পরিচ্ছন্নতার দিক দেখায়, আর দ্বিতীয়টি দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসা ও স্বাভাবিকতার দিক তুলে ধরে। তবে হাদিসে সহবাসের অনুমতি বলা হয়নি; বরং হায়েজের সময় যে সীমা মানা দরকার, তা অন্য বর্ণনার সঙ্গেও মিলে যায়। তাই এই হাদিস বুঝতে হলে বাড়তি কথা না এনে মূল ভাষার ওপর থাকা দরকার। হায়েজ অবস্থায় স্ত্রীকে অপমান বা আলাদা করে রাখার শিক্ষা এখানে নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হায়েজ হলে কাপড় বাঁধার নির্দেশ এসেছে।
- কাপড় বাঁধার পর সীমিত ঘনিষ্ঠতার বর্ণনা পাওয়া যায়।
- এই বর্ণনায় সহবাসের কথা নেই।
- হায়েজ অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে স্বাভাবিক ও সম্মানজনক আচরণ করা উচিত।
