৩/৬. অধ্যায়ঃ
হায়য ও ইস্তিহাযার রক্তের পার্থক্য
সুনানে নাসাঈ : ৩৬৪
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৩৬৪
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَبِيبِ بْنِ عَرَبِيٍّ، عَنْ حَمَّادٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: اسْتُحِيضَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ فَسَأَلَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي أُسْتَحَاضُ فَلَا أَطْهُرُ أَفَأَدَعُ الصَّلَاةَ؟ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّمَا ذَلِكَ عِرْقٌ وَلَيْسَتْ بِالْحَيْضَةِ، فَإِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ فَدَعِي الصَّلَاةَ، وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْسِلِي عَنْكِ الدَّمَ وَتَوَضَّئِي وَصَلِّي؛ فَإِنَّمَا ذَلِكَ عِرْقٌ وَلَيْسَتْ بِالْحَيْضَةِ». قِيلَ لَهُ: فَالْغُسْلُ؟ قَالَ: «وَذَلِكَ لَا يَشُكُّ فِيهِ أَحَدٌ» قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: قَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ «وَتَوَضَّئِي» غَيْرُ حَمَّادٍ وَاللَّهُ تَعَالَى أَعْلَمُ
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
ফাতিমা বিনতে আবু হুবায়শ (রাঃ) ইস্তিহাযাগ্রস্ত হলে তিনি নবী (ﷺ)-কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি ইস্তিহাযাগ্রস্ত। ফলে আমি পবিত্র হই না, এমতাবস্থায় আমি কি সালাত ছেড়ে দিব? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তা শিরা থেকে নির্গত রক্ত, হায়জ নয়। অতএব যখন হায়জ দেখা দিবে তখন সালাত ছেড়ে দিবে, আর যখন ঐ সময় চলে যাবে তখন তোমার শরীর থেকে রক্ত ধুয়ে নিবে এবং ওজু করে সালাত আদায় করবে। তা শিরা থেকে নির্গত রক্ত, হায়জ নয়।সানাদের জনৈক বর্ণনাকারীকে প্রশ্ন করা হল তাহলে গোসল? তিনি বললেন, এ বিষয়ে কেউ সন্দেহ পোষণ করেননি।আবু আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, হিশাম ইবনু উরওয়াহ (রহঃ) হতে এ হাদিসটি একাধিক রাবী বর্ণনা করেছেন। কিন্তু হাম্মাদ (রহঃ) ব্যতীত আর কেউ ‘ওজু করে সালাত আদায় করবে’ এ কথাটি উল্লেখ করেননি।
