৩/৩. অধ্যায়ঃ
যে স্ত্রীর প্রতি মাসে হায়যের দিন নির্দিষ্ট থাকে
হাদিসের সনদে রাবি উল্লেখের পার্থক্য
সুনানে আন-নাসায়ী : ৩৫৩
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৩৫৩
أَخْبَرَنَا بِهِ قُتَيْبَةُ مَرَّةً أُخْرَى، وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ جَعْفَرَ بْنَ رَبِيعَةَ
বর্ণনাকারী হতে বর্ণিতঃ
[ইমাম নাসাঈ বলেন] কুতাইবা (রহঃ) উল্লেখ করেছেন কিন্তু সেখানে হাদিসের অন্যতম রাবি জা’ফার ইবনু রবি’আহ (রহঃ)-এর উল্লেখ নেই।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৩৫৩-এর সারসংক্ষেপ
এই অংশটি সাধারণ অর্থে কোনো নতুন বিধানমূলক হাদিস নয়; বরং ইমাম নাসাঈ (রহঃ)-এর একটি সনদ-সংক্রান্ত নোট। এখানে বলা হয়েছে, কুতাইবা (রহঃ) আরেকবার বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন, কিন্তু সেখানে হাদিসের অন্যতম রাবি জা’ফার ইবনু রবি’আহ (রহঃ)-এর নাম উল্লেখ নেই। এর মূল বিষয় হলো হাদিসের বর্ণনাকারী বা রাবির নাম কীভাবে কখনও এক বর্ণনায় আসে, আবার আরেক বর্ণনায় বাদ থাকতে পারে। এই ধরনের নোট হাদিসের পাঠককে বুঝতে সাহায্য করে যে মুহাদ্দিসরা শুধু মূল কথা নয়, সনদও খুব যত্নের সাথে দেখতেন। “সনদ”, “রাবি”, “ইমাম নাসাঈর মন্তব্য” এবং “জা’ফার ইবনু রবি’আহ” এই অংশের গুরুত্বপূর্ণ সার্চ শব্দ। এখানে কোনো আলাদা আমল বানানো যায় না; বরং হাদিস সংরক্ষণের সতর্কতা বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসের সনদে রাবির নাম উল্লেখ হওয়া বা বাদ থাকা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
- ইমাম নাসাঈ (রহঃ) বর্ণনার পার্থক্য সতর্কভাবে উল্লেখ করেছেন।
- হাদিস বুঝতে শুধু অনুবাদ নয়, সনদ সম্পর্কেও সচেতনতা দরকার।
- এই অংশ থেকে নতুন আমল নয়, বরং বর্ণনা যাচাইয়ের শিক্ষা পাওয়া যায়।
