২৬/৯. অধ্যায়ঃ
বংশ মর্যাদা
সম্পদ ও বংশ-মর্যাদা: দুনিয়াবী দৃষ্টিভঙ্গির হাদিস
সুনানে নাসাঈ : ৩২২৫
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৩২২৫
أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو تُمَيْلَةَ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ أَحْسَابَ أَهْلِ الدُّنْيَا الَّذِي يَذْهَبُونَ إِلَيْهِ الْمَالُ»
ইব্ন বুরায়দা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: দুনিয়াতে বংশ-মর্যাদায় যা তাদের কাঙ্ক্ষিত তা হচ্ছে ধন-সম্পদ।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ৩২২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) খুব সংক্ষেপে দুনিয়ার মানুষের এক ধরনের মানসিকতা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, দুনিয়াতে বংশ-মর্যাদায় যা তারা কামনা করে, তা হলো ধন-সম্পদ। অর্থাৎ অনেক মানুষ মর্যাদা, সম্মান বা উচ্চ অবস্থানকে সম্পদের সাথে মিলিয়ে দেখে। হাদিসটি সরাসরি কোনো দীর্ঘ বিধান দেয় না; বরং মানুষের দুনিয়ামুখী ভাবনার একটি বাস্তব দিক দেখায়। আমরা অনেক সময় টাকা-পয়সাকে সম্মানের মাপকাঠি বানাই। কিন্তু একই বইয়ের অন্য হাদিসগুলোতে বিবাহের ক্ষেত্রে ধর্মকে প্রাধান্য দিতে বলা হয়েছে। তাই এই হাদিস বুঝতে হলে এর মূল কথা হলো—দুনিয়াবী মর্যাদা সব সময় প্রকৃত মূল্য নয়। মানুষের কাছে সম্পদ আকর্ষণীয় হতে পারে, কিন্তু সিদ্ধান্তে শুধু সম্পদকে বড় করে দেখা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অনেক মানুষ দুনিয়াবী মর্যাদাকে সম্পদের সাথে মিলিয়ে দেখে।
- সম্পদ সামাজিক আকর্ষণের কারণ হতে পারে, কিন্তু একমাত্র মাপকাঠি নয়।
- মানুষের বাহ্যিক মর্যাদা সম্পর্কে সচেতন থাকা দরকার।
- বিবাহ বা সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু ধন-সম্পদ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ভারসাম্যপূর্ণ নয়।
