২৬/৪. অধ্যায়ঃ
চির-কুমার থাকার নিষিদ্ধতা
সংসারত্যাগ নয়, সুন্নাহর পথ: চিরকুমার থাকা নিষেধ
সুনানে নাসাঈ : ৩২১৩
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৩২১৩
أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنْ الْحَسَنِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ «أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنِ التَّبَتُّلِ»---[حكم الألباني] صحيح لغيره
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিবাহ না করে চিরকুমার থাকতে নিষেধ করেছেন।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ৩২১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাবাত্তুল নিষেধ করেছেন। তাবাত্তুল বলতে এখানে বিবাহ না করে চিরকুমার জীবন গ্রহণ করার কথা বোঝানো হয়েছে। হাদিসটি ছোট হলেও শিক্ষা পরিষ্কার: ইসলামে আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য বৈধ দাম্পত্য জীবনকে অস্বীকার করার পথ দেখানো হয়নি। বরং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সুন্নাহ হলো ইবাদত করা, আবার মানুষের স্বাভাবিক জীবনও পালন করা। এই হাদিসকে অতিরিক্তভাবে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা উচিত নয় যে, প্রত্যেক ব্যক্তির প্রতিটি অবস্থায় একই সিদ্ধান্ত হবে; কারণ হাদিসে শুধু চিরকুমার থাকার পথকে নিষেধ করা হয়েছে। মূল বার্তা হলো—দ্বীন পালনে ভারসাম্য, বিবাহের মর্যাদা এবং নববী জীবনধারার প্রতি ভালোবাসা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চিরকুমার থাকার পথ রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) নিষেধ করেছেন।
- দ্বীন পালনে বৈধ দাম্পত্য জীবনকে অস্বীকার করা ঠিক নয়।
- সুন্নাহ হলো ইবাদত ও স্বাভাবিক জীবনের ভারসাম্য।
- ছোট হাদিসও গুরুত্বপূর্ণ জীবন শিক্ষা দিতে পারে।
