২৬/৪. অধ্যায়ঃ
চির-কুমার থাকার নিষিদ্ধতা
চিরকুমার থাকা নিষিদ্ধ: তাবাত্তুল থেকে বিরত থাকার হাদিস
সুনানে নাসাঈ : ৩২১২
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৩২১২
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، قَالَ: «لَقَدْ رَدَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى عُثْمَانَ التَّبَتُّلَ»، وَلَوْ أَذِنَ لَهُ لَاخْتَصَيْنَا
সা’দ ইব্ন আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) উসমান-কে চিরকুমার থাকতে নিষেধ করেছেন। তিনি যদি তাঁকে অনুমতি দিতেন, তাহলে আমরা ‘খাসি’ হওয়ার পদ্ধতি গ্রহণ করতাম।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ৩২১২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো তাবাত্তুল বা বিবাহ না করে চিরকুমার থাকার পথ থেকে নিষেধ। সা'দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) উসমানকে তাবাত্তুল থেকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, যদি তাঁকে অনুমতি দেওয়া হতো, তাহলে তারা খাসি হওয়ার পথ গ্রহণ করতেন। এই বর্ণনায় খুব স্পষ্টভাবে দেখা যায়, ইবাদতের নামে স্বাভাবিক দাম্পত্য জীবন পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া নববী পথ নয়। হাদিসটি বিবাহ, পরিবার ও মানবিক স্বভাবকে গুরুত্ব দেয়। তবে এখানে সব মানুষের উপর একই অবস্থায় একই হুকুম চাপিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়নি; বরং নির্দিষ্টভাবে চিরকুমার থাকা এবং খাসি হওয়ার মতো কঠোর পথের প্রতি অননুমোদন এসেছে। মূল শিক্ষা হলো, দ্বীন পালনে ভারসাম্য রাখা এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সুন্নাহ থেকে দূরে না যাওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবাদতের নামে চিরকুমার জীবন নেওয়া নববী পথ নয়।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাবাত্তুল অনুমোদন করেননি।
- মানবিক স্বভাবকে অস্বীকার করে কঠোর পথ নেওয়া ঠিক নয়।
- দ্বীন পালনে ভারসাম্য রাখা জরুরি।
