২৫/২৬. অধ্যায়ঃ

যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় তীর নিক্ষেপ করে তার সাওয়াব

আল্লাহর পথে তীর নিক্ষেপ ও কেয়ামতের নূর

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৩১৪৫

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ، قَالَ: سَمِعْتُ خَالِدًا يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الشَّامِيَّ، يُحَدِّثُ عَنْ شُرَحْبِيلَ بْنِ السِّمْطِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، - قَالَ: قُلْتُ: يَا عَمْرُو بْنَ عَبَسَةَ، حَدِّثْنَا حَدِيثًا سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْسَ فِيهِ نِسْيَانٌ وَلَا تَنَقُّصٌ - قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ رَمَى بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَبَلَغَ الْعَدُوَّ أَخْطَأَ أَوْ أَصَابَ، كَانَ لَهُ كَعِدْلِ رَقَبَةٍ، وَمَنْ أَعْتَقَ رَقَبَةً مُسْلِمَةً، كَانَ فِدَاءُ كُلِّ عُضْوٍ مِنْهُ عُضْوًا مِنْهُ مِنْ نَارِ جَهَنَّمَ، وَمَنْ شَابَ شَيْبَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ، كَانَتْ لَهُ نُورًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ»

শুরাহবীল ইব্‌ন সিম্‌ত (রহঃ) থেকে বর্ণিত হতে বর্ণিতঃ

আমি বললাম: হে আমর ইবন আবাসাহ! আমাদের নিকট এমন হাদিস বর্ণনা করুন, যা আপনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে শ্রবণ করেছেন, যেন তাতে ভুল ও ঘাটতি না থাকে। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় শত্রুর প্রতি একটি তীর নিক্ষেপ করবে, এতে সে ভুল করুক বা সঠিকভাবে পৌঁছাক, এটি তার জন্য একটি ক্রীতদাস আযাদ করার সমতুল্য হবে। আর যে ব্যক্তি একজন মুসলিম ক্রীতদাস আযাদ করবে, তার প্রত্যেকটি অঙ্গের পরিবর্তে প্রত্যেক অঙ্গ জাহান্নামের আগুন হতে পরিত্রাণ পাবে। যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় বার্ধক্যে উপনীত হবে, কেয়ামতের দিন তা তার জন্য নূর হবে।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৩১৪৫-এর সারসংক্ষেপ

মূল বিষয়: জিহাদের সওয়াব। এই হাদিসে আমর ইবন আবাসাহ (রাঃ) এমন বর্ণনা দিয়েছেন, যাতে ভুল বা ঘাটতি না থাকার কথা বিশেষভাবে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে শত্রুর প্রতি একটি তীর নিক্ষেপ করে, তা লক্ষ্যভেদ করুক বা না করুক, তার জন্য একটি ক্রীতদাস আজাদ করার সমতুল্য হবে। এখানে কাজের ফলের পাশাপাশি আল্লাহর পথে সত্য চেষ্টা গুরুত্ব পেয়েছে। এরপর বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি একজন মুসলিম ক্রীতদাস আজাদ করবে, তার অঙ্গের বদলে অঙ্গ জাহান্নামের আগুন থেকে পরিত্রাণ পাবে। শেষে এসেছে, যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে বার্ধক্যে পৌঁছে, কেয়ামতের দিন তা তার জন্য নূর হবে। হাদিসটি চেষ্টা, দান এবং আল্লাহর পথে জীবন কাটানোর তিনটি দিক একসঙ্গে শেখায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আল্লাহর পথে করা চেষ্টা লক্ষ্যভেদ না করলেও সওয়াবের কারণ হতে পারে।
  • মুসলিম দাস মুক্ত করা জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ হিসেবে এসেছে।
  • আল্লাহর পথে বার্ধক্যে পৌঁছা কেয়ামতের নূর হবে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন