২৫/১৭. অধ্যায়ঃ
মহান ও মহীয়ান আল্লাহর রাস্তায় যা জিহাদের সমতুল্য
সর্বোত্তম আমল: ঈমান, জিহাদ ও মাবরূর হজ্জ
সুনানে নাসাঈ : ৩১৩০
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৩১৩০
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: سَأَلَ رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّ الْأَعْمَالِ أَفْضَلُ؟ قَالَ: «إِيمَانٌ بِاللَّهِ» قَالَ: ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ: «الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ» قَالَ: ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ: «حَجٌّ مَبْرُورٌ»
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রশ্ন করল: কোন আমল সর্বোত্তম? তিনি (ﷺ) বললেন: আল্লাহর ওপর ঈমান আনা। সে বলল: তারপর কোনটি? তিনি (ﷺ) বললেন: আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। সে বলল, তারপর কোনটি? তিনি (ﷺ) বললেন: মাবরূর হজ্জ।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ৩১৩০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে একজন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে জিজ্ঞেস করেন, কোন আমল সর্বোত্তম? জবাবে প্রথমে বলা হয় আল্লাহর ওপর ঈমান আনা। তারপর প্রশ্ন করলে বলা হয় আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। এরপর আবার প্রশ্ন করলে বলা হয় মাবরূর হজ্জ। এই হাদিসে আমলের একটি সুন্দর ক্রম এসেছে: ঈমান, জিহাদ, মাবরূর হজ্জ। এখানে ঈমানকে ভিত্তি হিসেবে সামনে রাখা হয়েছে। এরপর আল্লাহর পথে আত্মনিবেদন, তারপর হজ্জের একটি বিশেষ রূপ—মাবরূর হজ্জ। হজ্জের ফজিলত ও জিহাদের মর্যাদা দুটিই এখানে আছে, কিন্তু কেন্দ্রবিন্দু হলো আল্লাহর প্রতি ঈমান। ব্যাখ্যা করার সময় মনে রাখতে হবে, হাদিসে এই প্রশ্নের এই নির্দিষ্ট জবাব এসেছে; তাই অন্য আমল যোগ করে তালিকা বড় করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈমানকে সর্বোত্তম আমলের শুরুতে রাখা হয়েছে।
- আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকে ঈমানের পর উল্লেখ করা হয়েছে।
- মাবরূর হজ্জের মর্যাদা হাদিসে স্পষ্ট এসেছে।
- প্রশ্নের জবাবে নবী صلى الله عليه وسلم ধাপে ধাপে শিক্ষা দিয়েছেন।
