২৫/১৭. অধ্যায়ঃ
মহান ও মহীয়ান আল্লাহর রাস্তায় যা জিহাদের সমতুল্য
কোন আমল উত্তম: ঈমান ও আল্লাহর পথে জিহাদের শিক্ষা
সুনানে নাসাঈ : ৩১২৯
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৩১২৯
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ، عَنْ شُعَيْبٍ، عَنْ اللَّيْثِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ، عَنْ أَبِي مُرَاوِحٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، أَنَّهُ سَأَلَ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَيُّ الْعَمَلِ خَيْرٌ؟ قَالَ: «إِيمَانٌ بِاللَّهِ، وَجِهَادٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ»
আবূ যর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি আল্লাহর নাবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলেন: কোন আমল উত্তম? তিনি (ﷺ) বললেন : আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা এবং মহান ও মহীয়ান আল্লাহর পথে জিহাদ করা।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ৩১২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু অর্থে গভীর। প্রশ্ন করা হয়েছিল: কোন আমল উত্তম? রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) উত্তর দিয়েছেন: আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা এবং মহান আল্লাহর পথে জিহাদ করা। এখানে দুটি বিষয় একসঙ্গে এসেছে—ঈমান ও আমল। ঈমান হলো ভিত্তি; আর আল্লাহর পথে জিহাদ হলো সেই বিশ্বাসের একটি বড় প্রকাশ, যা হাদিসে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, ভালো আমলের কথা বলতে গেলে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসকে আগে রাখতে হবে। শুধু কাজের বাহ্যিক রূপ নয়, আল্লাহর প্রতি সঠিক বিশ্বাসও মূল বিষয়। একই সঙ্গে জিহাদের ফজিলতও স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। তবে হাদিসে শুধু এই জবাবই দেওয়া হয়েছে; তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত তালিকা যোগ করা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উত্তম আমলের আলোচনায় ঈমানকে আগে রাখা হয়েছে।
- আল্লাহর পথে জিহাদকে গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে বলা হয়েছে।
- ঈমান ও আমল আলাদা নয়; একটি আরেকটির সঙ্গে যুক্ত।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও বড় শিক্ষা পাওয়া যায়।
