২৪/২২০. অধ্যায়ঃ
বাহনে চড়ে জামরা গমন এবং মুহরিমের ছায়া গ্রহণ
জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপের সুন্নত: শান্তভাবে হজের আমল
সুনানে আন-নাসায়ী : ৩০৬১
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৩০৬১
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا وَكِيعٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَيْمَنُ بْنُ نَابِلٍ، عَنْ قُدَامَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: «رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَرْمِي جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ يَوْمَ النَّحْرِ عَلَى نَاقَةٍ لَهُ صَهْبَاءَ، لَا ضَرْبَ، وَلَا طَرْدَ، وَلَا إِلَيْكَ إِلَيْكَ»
কুদামা ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে তাঁর সহবা উটনীর উপর থেকে কুরবানীর দিনে জামরাতুল আকাবায় কঙ্কর নিক্ষেপ করতে দেখেছি। আর বাহনকে পেটানো হচ্ছিল না, হাকানো হচ্ছিল না এবং এদিক ওদিক সরানো হচ্ছিল না।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৩০৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো হজে জামরাতুল আকাবায় কঙ্কর নিক্ষেপের আদব। বর্ণনাকারী রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে কুরবানীর দিনে তাঁর সহবা উটনীর উপর থেকে কঙ্কর নিক্ষেপ করতে দেখেছেন। এখানে যে বিষয়টি খুব সুন্দরভাবে এসেছে তা হলো, সেই সময় বাহনকে পেটানো হয়নি, জোরে হাঁকানো হয়নি, আর এদিক-সেদিক সরিয়েও দেওয়া হয়নি। অর্থাৎ হজের ভিড়েও শান্ত থাকা, প্রাণীকে কষ্ট না দেওয়া এবং আমলকে শৃঙ্খলার সঙ্গে করা—এগুলো এই বর্ণনার সরাসরি শিক্ষা। জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ শুধু পাথর ছোড়া নয়; এটি রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর দেখানো নিয়মে করা একটি হজের আমল। তাই হাজির জন্য দরকার ধৈর্য, নরম আচরণ এবং ভিড়ের মধ্যে অন্যকে কষ্ট না দেওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপের সময় শান্ত ও সংযত থাকা উচিত।
- হজের আমল করতে গিয়ে বাহন বা প্রাণীকে কষ্ট দেওয়া ঠিক নয়।
- ভিড়ের মধ্যেও তাড়াহুড়া ও ধাক্কাধাক্কি এড়িয়ে চলার শিক্ষা মেলে।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর আমল দেখে হজের কাজ শেখা গুরুত্বপূর্ণ।
