২৪/২০৫. অধ্যায়ঃ
'আরাফাহ্ হতে কিভাবে আসবে?
বিদায় হজ্জে পথচলা: মাঝারি গতি ও সুযোগমতো দ্রুত চলা
সুনানে আন-নাসায়ী : ৩০২৩
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৩০২৩
أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ مَسِيرِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ، قَالَ: «كَانَ يَسِيرُ الْعَنَقَ، فَإِذَا وَجَدَ فَجْوَةً نَصَّ» وَالنَّصُّ: فَوْقَ الْعَنَقِ
উসামা ইবন যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উসামা ইবনে যায়েদ (রাঃ)-কে বিদায় হজ্জে নবি (ﷺ)-এর পথচলা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন: তিনি (ﷺ) মধ্যম ধরনের গতি অবলম্বন করতেন। যখন তিনি (ﷺ) খোলা ময়দান দেখতে পেতেন, তখন দ্রুত চলতেন। ‘নাস্’ বলা হয় ‘আনাক’-এর তুলনায় দ্রুত চলাকে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৩০২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উসামা ইবনে যায়েদ (রাঃ)-এর কাছে বিদায় হজ্জে নবী صلى الله عليه وسلم-এর পথচলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়। তিনি জানান, নবী صلى الله عليه وسلم মধ্যম ধরনের গতি অবলম্বন করতেন। আবার যখন খোলা ময়দান বা ফাঁকা জায়গা পেতেন, তখন দ্রুত চলতেন। এখানে হজ্জযাত্রার সুন্দর ভারসাম্য দেখা যায়। একদিকে ভিড় বা চলার সীমা থাকলে শান্ত ও মাঝারি গতি, অন্যদিকে সুযোগ থাকলে দ্রুত চলা। এর মানে তাড়াহুড়া সব সময় কাম্য নয়, আবার প্রয়োজন ও সুযোগ হলে চলার গতি বাড়ানোও বর্ণনায় এসেছে। হজ্জের সফরে রাস্তা, ভিড় এবং অন্য মানুষের অবস্থা দেখে চলা দরকার। এই বর্ণনা হাজীদের শেখায়, ইবাদতের পথে শরীর, বাহন ও মানুষের নিরাপত্তা বিবেচনায় রাখা ভালো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জের পথে মাঝারি গতি বজায় রাখার শিক্ষা পাওয়া যায়।
- খোলা জায়গা পেলে দ্রুত চলার বিষয়টি বর্ণনায় এসেছে।
- চলার সময় ভিড় ও পরিস্থিতি বিবেচনা করা দরকার।
- বিদায় হজ্জের আমলে নবী صلى الله عليه وسلم-এর বাস্তব পথচলা দেখা যায়।
